📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সীতাকুণ্ড দুর্ঘটনা: ইয়ার্ড মালিকের অবহেলা ধরা পড়লেও সরকারি সংস্থার গাফিলতি ধামাচাপা!

সীতাকুণ্ড দুর্ঘটনা: ইয়ার্ড মালিকের অবহেলা ধরা পড়লেও সরকারি সংস্থার গাফিলতি ধামাচাপা!

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে গ্যাস নিঃসরণে ১০ জনের মৃত্যু ঘটনায় সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকিতে গাফিলতি ধরা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। ইয়ার্ড মালিকের অবহেলা চিহ্নিত হলেও সরকারি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কোনো দায় নির্ধারণ করা হয়নি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের ইয়ার্ডে গ্যাস নিঃসরণের ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানি ঘটে। এই দুর্ঘটনার তদন্তে গঠিত সরকারি কমিটি ইয়ার্ড মালিকের অবহেলা চিহ্নিত করলেও সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকিতে উল্লেখযোগ্য গাফিলতি ধরা পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে গ্যাস নিঃসরণে ১০ জন নিহত হন।
  • 📌 তদন্ত কমিটি ইয়ার্ড মালিকের অবহেলা চিহ্নিত করলেও সরকারি সংস্থাগুলোর দায় নির্ধারণ করেনি।
  • 📌 বিস্ফোরক অধিদপ্তর জাহাজের ব্যালাস্ট ওয়াটার ট্যাংক পরিদর্শন ছাড়াই সেফটি সনদ প্রদান করে।
  • 📌 তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের ছয় ধরনের গাফিলতি উল্লেখ করা হয়েছে।
  • 📌 তদন্ত কমিটির প্রধান এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী সরকারি সংস্থার দায় অস্বীকার করেন।

📰 বিস্তারিত

গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের ইয়ার্ডে গ্যাস নিঃসরণের ঘটনায় ১০ জন শ্রমিক নিহত হন। এই দুর্ঘটনার তদন্তে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজীকে প্রধান করে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। পাঁচ দিনের তদন্ত শেষে কমিটি গত সোমবার তাদের প্রতিবেদন শিল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়ার্ড মালিকের অবহেলা চিহ্নিত করা হলেও সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকিতে উল্লেখযোগ্য গাফিলতি ধরা পড়ে। দ্য শিপব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং রুলস–২০১১ অনুযায়ী জাহাজের সব ধরনের ট্যাংক পরীক্ষা করার দায়িত্ব ছিল বিস্ফোরক অধিদপ্তরের। তবে ব্যালাস্ট ওয়াটার ট্যাংক পরিদর্শন ছাড়াই বিস্ফোরক অধিদপ্তর জাহাজটিকে ভাঙার জন্য সেফটি সনদ প্রদান করে।

বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, তাঁরা শুধুমাত্র খালি ট্যাংক পরীক্ষা করতে পারেন। ট্যাংক তরল পদার্থে পূর্ণ থাকলে তা পরীক্ষা করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ‘ট্যাংক কোনো তরল পদার্থে পূর্ণ থাকলে সেটি আমাদের পক্ষে পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না।’

তদন্ত প্রতিবেদনে ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের ছয় ধরনের গাফিলতি উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন দুর্ঘটনার দিন শ্রমিকদের কোনো গ্যাস মাস্ক ছিল না, ইয়ার্ডে সেফটি ম্যানেজার, অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি উদ্ধার দল ছিল না। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসকে সময়মতো অবহিত করা হয়নি।

তদন্ত কমিটির প্রধান এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আপনি ভালো করে দেখেন। এটা সাত-আট পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন। প্রতিবেদনের যেকোনো অংশে সরকারি সংস্থার দায় পাবেন।’ তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন অংশে দায় রয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি।

‘আমরা শুধু কোনো ট্যাংক খালি হলে সেটা পরীক্ষা করে দেখতে পারি। ট্যাংক কোনো তরল পদার্থে পূর্ণ থাকলে সেটি আমাদের পক্ষে পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না।’ — এস এম সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী পরিচালক, বিস্ফোরক অধিদপ্তর

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী, এস এম সাখাওয়াত হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন নিহত, ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি, ১৪ আগস্ট দুর্ঘটনা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖