📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ✅

Hafiz Uddin Ahmad (Bir Bikrom)
🏛️ জাতীয় সংসদের স্পিকার (ভোলা-৩ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ; সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)
📌 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
💼 রাজনীতিবিদ 📅 ২৯ অক্টোবর ১৯৪৪, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ 📍 ভোলা (লালমোহন) 🌍 বাংলাদেশি

✨ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম — জাতীয় সংসদের স্পিকার (ভোলা-৩ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ; সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)

📋 জীবনী

হাফিজ উদ্দিন আহমদ (জন্ম: ২৯ অক্টোবর ১৯৪৪) হলেন একজন বাংলাদেশী সামরিক ব্যক্তি, রাজনীতিবিদ, ফুটবলার ও মুক্তিযোদ্ধা। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বাধীন আছেন। এরআগে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রী এবং খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভোলা-৩ আসন থেকে তিনি পরপর ৬ বার সহ ৭ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য ছিলেন।

জন্ম, শিক্ষা ও ব্যক্তিগত জীবন

হাফিজ উদ্দিন আহমদের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর। তার পৈতৃক বাড়ি ভোলার লালমোহনে। তার বাবা আজাহার উদ্দিন আহমদ চিকিৎসক ছিলেন যিনি ১৯৬৩ ও ১৯৬৫ সালে দু’বার প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের পক্ষ হতে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। হাফিজ উদ্দিনের মায়ের নাম করিমুন্নেছা। চার ভাই দুই বোনের মধ্যে হাফিজ সবার বড়। হাফিজ উদ্দিন আহমদ ১৯৫৯ সালে বরিশাল জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও ১৯৬১ সালে সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল থেকে আইএ পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৬৪ সালে বিএ (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবন

হাফিজ উদ্দিন আহমদ পড়াশোনা শেষ করে ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে কমিশন পান এবং প্রথম কর্মরত ছিলেন প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। ১৯৭১ সালের মার্চে হাফিজ উদ্দিন তার ইউনিটের সঙ্গে যশোরের প্রত্যন্ত এলাকা জগদীশপুরে শীতকালীন প্রশিক্ষণে ছিলেন। ২৫ মার্চের পর তাদের ডেকে পাঠানো হয় এবং ২৯ মার্চ তারা সেনানিবাসে ফেরেন। পরে যোগ দেন যুদ্ধে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ শেষ করে ভারতে যান। তিনি কামালপুর, ধলই বিওপি, কানাইঘাট ও সিলেটের এমসি কলেজের যুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতেই কর্মরত ছিলেন।

ক্রীড়াজীবন

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে ফুটবল খেলেছেন। তিনি ফায়ার সার্ভিস, ওয়ারী ক্লাব ও ঢাকা ওয়ান্ডারার্স দলের হয়ে খেলেছেন। ১৯৬৭ সালে তিনি মোহামেডান ক্লাবে যোগ দেন। ১৯৭৮ সালে অবসরের আগ পর্যন্ত তিনি দলে ছিলেন। এই দলের হয়ে তিনি ১৯৬৯, ১৯৭৫, ১৯৭৬ ও ১৯৭৮, মোট চারবার ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগ শিরোপা জেতেন। এছাড়াও তিনি আগা খান গোল্ড কাপও জিতেছেন। ১৯৭৬ সালে ডিফেন্ডার জাকারিয়া পিন্টুর জায়গায় তিনি মোহামেডান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পান। একই বছর হাফিজের জোড়া গোলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়ে ঢাকা লিগ শিরোপা জেতে তার দল। সেই বছরেই মোহামেডান আগা খান গোল্ড কাপের ফাইনালে মালয়েশীয় দল পেংগান এফসির কাছে ৩-০ গোলে হেরে রানারআপ হয়। ১৯৭৩ সালে, ফায়ার সার্ভিসের বিপক্ষে ৬-০ গোলের জয়ে তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ডাবল হ্যাট্রিক করেন।

তিনি ১৯৬৭ সালে সৌদি আরবের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের সময় পাকিস্তান জাতীয় দলের জন্য নির্বাচিত হন, এবং একই বছর তিনি বার্মায় ১৯৬৮ এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে এবং ঢাকায় ১৯৬৭ আরসিডি কাপে খেলেন। তিনি ১৯৬৭ সালে সফরকারী মার্কিন ক্লাব ডালাস টর্নেডোর বিপক্ষেও খেলেছেন। মার্চ ১৯৬৮ সালে তিনি স্বাগতিক মাঠে সোভিয়েত ক্লাব এফসি কাইরাতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে খেলেন, এবং পরের বছর ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সফরের সময় সিএসকেএ মস্কোর বিপক্ষে অংশ নেন। একই বছর তিনি ইরানে ১৯৬৯ ফ্রেন্ডশিপ কাপে এবং তুরস্কে ১৯৬৯ আরসিডি কাপে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সর্বশেষ কাদির বখশের অধীনে সহ-অধিনায়ক হিসেবে ১৯৭০ আরসিডি কাপে অংশ নেন এবং টুর্নামেন্টের সমাপ্তির পর বান্দার-এ পাহলভির বিপক্ষে একটি প্রদর্শনী ম্যাচে জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করেন, যা ৪–২ ব্যবধানে জয়ে শেষ হয়।

তিনি ১৯৬৪, ১৯৬৫ ও ১৯৬৬ সালের তিনটি মৌসুমে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানব ছিলেন। তিনি রেকর্ড সময়ে ১০০ ও ২০০ মিটারে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন। তিনি ১৯৮০ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের নির্বাচিত সহ-সভাপতি ছিলেন। ফিফা’র আপিল ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

📰 সংশ্লিষ্ট সংবাদ

📤 শেয়ার: 📘 Facebook 💬 WhatsApp
🗳️ নির্বাচনী এলাকার তথ্য
📌 আসন: ভোলা-৩ (Bhola-3)
🔢 আসন কোড: ১১৭
🗺️ বিভাগ: বরিশাল
🏙️ জেলা: ভোলা
👥 মোট ভোটার: ৩৮৮,৫৫০
👨 পুরুষ ভোটার: ২০০,৪৯৭
👩 নারী ভোটার: ১৮৮,০৫০
🏳️‍🌈 তৃতীয় লিঙ্গ: ৩
🏛️ ভোটকেন্দ্র: ১০৯টি
📌 উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
🗺️ এলাকার মানচিত্র
ভোলা-৩ নির্বাচনী এলাকার মানচিত্র (Bhola-3 constituency map)
ভোলা-৩ — বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের মানচিত্র
🤖