📌 কিশোরগঞ্জে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মেয়েদের জন্য নির্মিত সরকারি স্কুল ভবনটি ছয় বছরেও চালু হয়নি। জনবল সংকট ও অব্যবহারের কারণে ভবনটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। নির্মাণে ব্যয় হয়েছে দেড় কোটি টাকা
কিশোরগঞ্জ জেলায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মেয়েদের জন্য নির্মিত সরকারি স্কুল ভবনটি ছয় বছরেও চালু হয়নি। জনবল সংকটের কারণে ভবনটি এখন অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। নির্মাণে ব্যয় হয়েছে দেড় কোটি টাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জ শহরের স্টেশন রোড এলাকায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মেয়েদের জন্য নির্মিত স্কুল ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০১৯ সালে
- 📌 ভবনটি চালু না হওয়ায় জনবল নিয়োগের অভাবে স্কুলটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে
- 📌 ভবনের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম চুরি হয়ে গেছে
- 📌 স্কুল ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা
- 📌 ভবনটি চালু করতে প্রয়োজন একজন শিক্ষক, একজন হাউস প্যারেন্ট, অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা কর্মী ও বাবুর্চি
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জ জেলার স্টেশন রোড এলাকায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মেয়েদের জন্য নির্মিত সরকারি স্কুল ভবনটি ছয় বছরেও চালু হয়নি। গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর জানান, ২০১৯ সালে দোতলা ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। ভবনটির অবস্থান কিশোরগঞ্জ শহরের স্টেশন রোড এলাকায়।
ভবনটি চালু না হওয়ায় জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১০ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছাত্রীর জন্য এই স্কুল ও হোস্টেল নির্মাণ করা হয়েছিল। ভবনটির ওপরের তলায় তিনটি কক্ষ রয়েছে ছাত্রীদের জন্য। নিচতলায় তিনটি পাঠদানের কক্ষ ও প্রশাসনিক কার্যালয় রয়েছে।
ভবনটিতে প্রাথমিকভাবে ১০টি খাট, ১০টি ফ্যান, ডাইনিং টেবিল, চেয়ার-টেবিল, আলমারি ও ল্যাপ-তোষকসহ কয়েক লাখ টাকার আসবাব ছিল। তবে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনের ভেতরের বেশিরভাগ আসবাবপত্র চুরি হয়ে গেছে। ভবনের দেয়ালে শেওলা জমেছে এবং বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে।
"দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে স্কুল ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে এটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।" — মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর, কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ টি এম আমিনুল ইসলাম জানান, স্কুলটি চালু করতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ হলেই শিক্ষার্থী ভর্তির কাজ শুরু করা হবে। তিনি আরও বলেন, গত ৩১ আগস্ট সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। জানালা-দরজাও ভাঙা। ভবনের ভেতরে কিছু আসবাব পড়ে আছে।
এ বিষয়ে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) প্রতিষ্ঠানের উপতত্ত্বাবধায়ক আয়েশা রশিদ জানান, ভবনটিতে কয়েকবার চুরি হয়েছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা ভবনের ভেতরে আড্ডা দেয় এবং রাতেও অবস্থান করে। এ কারণে তাঁর প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে থানা-পুলিশকে জানিয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা, স্টেশন রোড এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর, ১ কোটি ৬১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা, ১০ জন শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!