📌 সাভারের পূর্ব শাহীবাগ এলাকার একটি অবৈধ মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, ঘটনাটি তাদের অধিভুক্ত নয় এবং দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছে
সাভারের পূর্ব শাহীবাগ এলাকায় অবস্থিত একটি অবৈধ মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’। সংস্থাটির অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভারের পূর্ব শাহীবাগ এলাকার একটি অবৈধ মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 ঘটনাটি আল-হাইআতুল উলয়ার অধিভুক্ত নয় বলে স্পষ্ট করেছে সংস্থাটি।
- 📌 গত ২৬ আগস্ট সাভার মডেল থানায় চার শিক্ষক ও ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া।
📰 বিস্তারিত
সাভারের পূর্ব শাহীবাগ এলাকায় অবস্থিত একটি অবৈধ মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানোর পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে পরিবারকে চাপ ও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনাটি আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধিভুক্ত নয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আল-হাইআতুল উলয়ার অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৬ আগস্ট সাভার মডেল থানায় চার শিক্ষক ও ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি অনুসন্ধানের জন্য ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষক বা শিক্ষার্থী যেই হোক না কেন, প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
সংস্থাটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের বলেও উল্লেখ করে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার তাগিদ দেওয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কেউ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা বা পরিবারকে হুমকি দিয়ে থাকলে, তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দেয় আল-হাইআতুল উলয়া।
"তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী—যা-ই হোক না কেন, পরিচয় বিবেচনা না করে প্রচলিত আইনে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষেরই মূল দায়িত্ব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব শাহীবাগ, সাভার, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মু. অছিউর রহমান (আল-হাইআতুল উলয়ার অফিস ব্যবস্থাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (শিক্ষক), ৬ (শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!