📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ-ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাকে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেছেন, হাজার হাজার হত্যাকাণ্ডের দায়ে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে সাধারণ ভ্রমণকারী হিসেবে দেখানো যাবে না
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী হস্তান্তর করা হবে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর সময় তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেওয়া হবে না — তাকে সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 বাংলাদেশ-ভারতের অ্যাকটিভ এক্সট্রাডিশন ট্রিটি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর করা হবে — পাসপোর্টের প্রয়োজন নেই
- 📌 হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে সাধারণ ভ্রমণকারী হিসেবে দেখানো যাবে না’
- 📌 চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডর চালু হলে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়বে
- 📌 করিডর চালু করার আগে রোহিঙ্গা ইস্যুতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে — আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে
📰 বিস্তারিত
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির শেখ হাসিনা সম্পর্কে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা একজন পলাতক সন্ত্রাসী। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা হচ্ছে পলাতক সন্ত্রাসী। এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াতে আসবে যে তাকে পাসপোর্ট দেব?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে ভারতের অ্যাকটিভ এক্সট্রাডিশন ট্রিটি আছে। সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের ধরতে পাসপোর্ট লাগে না। তাদের হস্তান্তরের জন্য বিচারিক প্রক্রিয়া রয়েছে।’
শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন, তাকে কি সাধারণ ও বাণিজ্যিক ভ্রমণকারী হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব?’ তিনি বলেন, ‘আসেন, রংপুরে শ্বশুরবাড়ি বেড়াইয়া যান। তো এখানে হ্যান্ডওভার চাই আমরা।’
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের প্রত্যর্পণ চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের হস্তান্তরের জন্য প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় তাকে হস্তান্তর চাই।’
চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের করিডর চালু হলে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই এর ফলে অর্থনৈতিক যোগাযোগ ও মানুষের চলাচল বাড়বে। পণ্য পরিবহনও সহজ হবে। তবে এটি করার আগে রোহিঙ্গা ইস্যুটি গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আমরা আলোচনা করব এবং আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।’
করিডর কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি উন্নয়নের করিডর হবে। এখানে সংখ্যা থাকবে কেন? সবাই এর সুফলভোগী হবে।’
"শেখ হাসিনা হচ্ছে পলাতক সন্ত্রাসী। এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াতে আসবে যে তাকে পাসপোর্ট দেব? পাসপোর্ট দিয়ে আসেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর), রংপুর, ভারত, চীন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!