📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, শেখ হাসিনাকে কোনো ট্রাভেল পাস বা পাসপোর্ট দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ ভারতের সাথে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেন। তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে কোনো পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে আনা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না — শুধুমাত্র প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হবে
- 📌 তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা একজন পলাতক সন্ত্রাসী। তাকে সাধারণ ভ্রমণকারী হিসেবে গণ্য করে পাসপোর্ট দেওয়া যাবে না’
- 📌 বাংলাদেশ আদালতের পরোয়ানা ও বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ দাবি করছে
- 📌 হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা তাকে হস্তান্তরের দাবি জানাচ্ছি — সাধারণ ভ্রমণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার ফিরে আসার বিষয়টি কাম্য নয়’
- 📌 চীনা প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিংয়ের নেতৃত্বে সফররত চীনা প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের সামনে শেখ হাসিনার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেন। তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের ধরার জন্য আমাদের (ভারতের সাথে) একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। সন্ত্রাসী বা অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন হয় না; এটি তাদের হস্তান্তর করার বিষয়।’
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘শেখ হাসিনা একজন পলাতক ব্যক্তি এবং সন্ত্রাসী। তিনি এমন কেউ নন যে, রংপুরে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসছেন, যার জন্য আমরা পাসপোর্ট ইস্যু করব এবং তিনি ভ্রমণ করতে এখানে আসবেন।’ তিনি জানান, গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত কোনো পলাতক ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সাধারণ পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি ইস্যু করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। আইনি প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার জন্য আদালতের পরোয়ানা এবং বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে নির্ধারিত পদ্ধতিই যথেষ্ট।
হুমায়ুন কবির ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ‘দেশ ছেড়ে পালানোর আগে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য তিনিই দায়ী। যে সন্ত্রাসী হাজার হাজার মানুষ হত্যার পর দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তাকে কি আমরা একজন সাধারণ ভ্রমণকারী হিসেবে গণ্য করে পাসপোর্ট দেবো?’ ঢাকার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ চায় ভারত কর্তৃপক্ষ যেন হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে; সাধারণ ভ্রমণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার ফিরে আসার বিষয়টি কাম্য নয়।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তিটি গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত ব্যক্তিদের হস্তান্তরের অনুরোধ জানানোর আইনি ভিত্তি প্রদান করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এ চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠিত বিচারিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে।
"আদালতের পরোয়ানা রয়েছে, সুনির্দিষ্ট বিচারিক প্রক্রিয়া আছে এবং প্রত্যর্পণ চুক্তিও রয়েছে। তাই পাসপোর্ট ইস্যু করার বা দেয়ার কোনো প্রয়োজন বা বাধ্যবাধকতা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, চীনা প্রতিনিধিদল মন্ত্রী লিউ হাইসিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!