📌 ফরিদপুরে দু’জনকে ধর্ষণ ও অপহরণের দায়ে যাবজ্জীবন ও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ৩৩ বছর বয়সী শরিফুল ইসলামকে কিশোরী ধর্ষণ ও অপহরণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৭৬ বছর বয়সী সাহেদ আলী মৃধাকে মাদ্রাসায় যৌন হয়রানির চেষ্টায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দু’জনই পলাতক বা কারাগারে পাহারা দেওয়া হয়েছে
ফরিদপুরে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলায় দু’জনকে কঠোর দণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন ৩৩ বছর বয়সী শরিফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৭৬ বছর বয়সী সাহেদ আলী মৃধাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। দু’জনই অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩৩ বছর বয়সী শরিফুল ইসলামকে কিশোরী ধর্ষণ ও অপহরণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অনাদায়ে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
- 📌 একই মামলায় ধর্ষণের অভিযোগে শরিফুল ইসলামকে আরো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
- 📌 ৭৬ বছর বয়সী সাহেদ আলী মৃধাকে মাদ্রাসায় যৌন হয়রানির চেষ্টায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 শরিফুল ইসলাম পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সাহেদ আলী মৃধাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
- 📌 দু’টি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট ঘোষণা করেছে।
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ২০২১ সালের ৮ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী। পরবর্তীতে ১৪ অক্টোবর কিশোরী ফোন করে জানায়, তাকে ঢাকায় অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর পরিবারের সদস্যরা কৌশলে কিশোরীকে উদ্ধার করেন এবং শরিফুল ইসলামকে দেখতে পান। পরবর্তীতে কিশোরী জানান, তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় ১৬ অক্টোবর শরিফুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করা হয়।
মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন উপপরিদর্শক তোফাজ্জেল হোসেন। আদালত শরিফুল ইসলামকে অপহরণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ধর্ষণের দায়ে আরো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। শরিফুল ইসলাম পাবনা জেলার আতাইকুলা উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
অপর মামলায় ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ২০২৪ সালের ২৭ জুন রাতে তিনজন কিশোরীকে যৌন হয়রানির চেষ্টা চালায় সাহেদ আলী মৃধা। ঘটনায় ৭ জুলাই মামলা করা হয়। আদালত তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করে। জরিমানার টাকা ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"দুটি রায়েই রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট ঘোষণা করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর (নগরকান্দা ও মধুখালী উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুল ইসলাম (৩৩), সাহেদ আলী মৃধা (৭৬), বিচারক শামীমা পারভীন, উপপরিদর্শক তোফাজ্জেল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (২টি), ৭ বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!