📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় বৃদ্ধকে ৭ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ফরিদপুরে মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় বৃদ্ধকে ৭ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আমাদের সময় ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের মধুখালীতে মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী একটি শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ৭৭ বছর বয়সী মো. সাহেদ আলীকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত জরিমানার অর্থ শিশুটিকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে

ফরিদপুরের মধুখালী মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ৭৭ বছর বয়সী মো. সাহেদ আলীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বিচারক শামীমা পারভীন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আদালতের রায়ে এই সাজা ঘোষণা করেন। রায়ে জরিমানার অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগী শিশুটিকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ৭৭ বছর বয়সী মো. সাহেদ আলীকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
  • 📌 ২০২৪ সালের ২৮ জুন রাত ১টায় মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে ঘুমন্ত ১১ বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণচেষ্টা করার দায়ে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে
  • 📌 আসামি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও একজন শিক্ষকের বাবা, শিশুটির চিৎকারে তিনি স্থান ত্যাগ করেন
  • 📌 মামলা দায়েরের পর ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মো. সাহেদ আলীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত জরিমানার অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগী শিশুটিকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৮ জুন রাত ১টার দিকে মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীদের কক্ষে ঢুকে ঘুমন্ত শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সাহেদ আলী। তিনি ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও একজন শিক্ষকের বাবা। এ সময় শিশুটির চিৎকারে তিনি স্থান ত্যাগ করেন। ঘটনার কয়েক দিন পর শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানালে, ৭ জুলাই শিশুটির মা বাদী হয়ে সাহেদ আলীকে একমাত্র আসামি করে মধুখালী থানায় একটি মামলা করেন।

২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিম উদ্দীন ফকির অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, “দরিদ্র পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে শিশুটির সঙ্গে আসামি যে অপরাধ করেছেন, তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না—এ রায়ে সেই বার্তাই ফুটে উঠেছে।”

"দরিদ্র পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে শিশুটির সঙ্গে আসামি যে অপরাধ করেছেন, তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না—এ রায়ে সেই বার্তাই ফুটে উঠেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মধুখালী, ফরিদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাহেদ আলী (৭৭), শিশুছাত্রী (১১), বিচারক শামীমা পারভীন, উপপরিদর্শক নাজিম উদ্দীন ফকির, অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ১১ বছর বয়সী শিশু, ৭৭ বছর বয়সী আসামি, ২৮ জুন ২০২৪, ১ টা রাত, ৭ জুলাই ২০২৪, ২৬ আগস্ট ২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖