📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাবা-মায়ের রাগে সন্তানের ওপর বদদোয়া: ইসলামে কী পরিণতি?

বাবা-মায়ের রাগে সন্তানের ওপর বদদোয়া: ইসলামে কী পরিণতি?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামে বাবা-মায়ের রাগে সন্তানের ওপর বদদোয়া দেওয়া নিষিদ্ধ। হাদিসে বর্ণিত জুরাইজের ঘটনা থেকে জানা যায়, বদদোয়া সন্তানের ইহকাল ও পরকাল উভয় জীবনে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে। আল্লাহর কাছে পিতা-মাতার দোয়া দ্রুত কবুল হয়, তাই বদদোয়া সতর্কতার বিষয়

বাবা-মায়ের রাগের মাথায় সন্তানের ওপর বদদোয়া দেওয়া ইসলামে একটি নিষিদ্ধ ও ভয়াবহ কর্ম। ইসলামের দৃষ্টিতে পিতা-মাতার এই বদদোয়া সন্তানের ইহকাল ও পরকাল উভয় জীবনে স্থায়ী ধ্বংস ডেকে আনতে পারে। আল্লাহর কাছে পিতা-মাতার দোয়া বিশেষ মর্যাদা পায়, তাই রাগের বশবর্তী হয়ে দেওয়া বদদোয়া তাদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া নিঃসন্দেহে কবুল হয়—মজলুমের দোয়া, মুসাফিরের দোয়া এবং সন্তানের ওপর পিতা-মাতার দোয়া’। সুতরাং, বাবা-মায়ের বদদোয়া সন্তানের জীবনে ধ্বংস সৃষ্টি করতে পারে।
  • 📌 জুরাইজের ঘটনা থেকে জানা যায়, মায়ের রাগের বদদোয়া সন্তানকে চরম বিপদে ফেলে দিতে পারে। জুরাইজকে এক ব্যভিচারিণীর মুখ দেখার আগে মৃত্যু দিতে বলা হয়েছিল, যার ফলে তিনি বিপদে পড়েন।
  • 📌 সহিহ মুসলিম (হাদিস: ৩০০৯) ও সহিহ বুখারি (হাদিস: ৩৪৩৬) অনুসারে, বদদোয়া সন্তানের ইহকাল ও পরকাল উভয় জীবন ধ্বংস করতে পারে।
  • 📌 ইবনে কাসির ও ইবনে আবিদিন উল্লেখ করেছেন, রাগের সময় পিতা-মাতার হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তাই অবাধ্য সন্তানের শাসন করতে হবে, কিন্তু বদদোয়া নয়।

📰 বিস্তারিত

ইসলামে পিতা-মাতার দোয়া আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদা পায়। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘বাবা-মা যখন অন্তর থেকে সন্তানের জন্য দোয়া করেন, তা আল্লাহর আরশে সরাসরি পৌঁছে যায়। কিন্তু রাগের বশবর্তী হয়ে দেওয়া বদদোয়াও দ্রুত কবুল হয়, যা সন্তানের জীবনে ধ্বংস সৃষ্টি করতে পারে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৫৩৬)

জুরাইজের ঘটনা থেকে বোঝা যায়, মায়ের রাগের বদদোয়া কতটা ভয়াবহ হতে পারে। জুরাইজ নামাজ পড়ছিলেন, তখন তাঁর মা তাঁকে ডাকলেন। জুরাইজ নামাজ ছাড়তে অস্বীকার করলে মা রাগ করে বললেন, ‘হে আল্লাহ, কোনো ব্যভিচারিণীর মুখ দেখার আগে তুমি জুরাইজের মৃত্যু দিয়ো না।’ এই বদদোয়া কার্যকর হয়েছিল এবং জুরাইজকে এক ষড়যন্ত্রে ফেলে দেয়া হয়। যদিও আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি মুক্তি পেয়েছিলেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৩৬)

ইবনে কাসির (রহ.) বলেছেন, রাগের সময় মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তাই অবাধ্য সন্তানকে শাসন করতে হবে, কিন্তু বদদোয়া দেওয়া মাকরুহ (অপছন্দনীয়)। কারণ, বদদোয়া সন্তানের স্থায়ী ক্ষতি করে। (ইবনে কাসির, তাফসিরুল কুরআনিল আজিম, সুরা ইসরার ২৩-২৪ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যা)

"তোমরা নিজেদের ওপর বদদোয়া কোরো না, তোমাদের সন্তানদের ওপর বদদোয়া কোরো না এবং তোমাদের সম্পদের ওপর বদদোয়া কোরো না। এমন যেন না হয় যে তোমরা আল্লাহর কাছে এমন একটি সময়ে বদদোয়া করলে, যা দোয়া কবুলের সময়, আর আল্লাহ তোমাদের সেই বদদোয়া কবুল করে নিলেন।"

সহিহ মুসলিম (হাদিস: ৩০০৯) থেকে এই হুকুম। বদদোয়া সন্তানের ইহকাল ও পরকাল উভয় জীবন ধ্বংস করতে পারে। তাই পিতা-মাতার উচিত সন্তানের সুমতি ও হেদায়েতের জন্য আল্লাহর কাছে সুন্দর দোয়া করা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামিক হাদিস ও তাফসির (সুরা ইসরার ২৩-২৪ নম্বর আয়াত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহানবী (সা.), জুরাইজ, ইবনে কাসির (রহ.), ইবনে আবিদিন (রহ.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: হাদিস নম্বর ১৫৩৬ (আবু দাউদ), ৩০০৯ (মুসলিম), ৩৪৩৬ (বুখারি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖