📌 গুজরাটের বানাসকাণ্ঠায় জনসভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেশের সেবায় নিবেদিত থাকবেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি আমার মানুষের সেবা করব—প্রতিটি মানুষের সেবা’। সফরে তিনি ১৪ হাজার কোটি রুপির প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন এবং কৃষকদের কল্যাণের কথা জোর দিয়েছেন
গুজরাটের বানাসকাণ্ঠায় আজ রোববার এক বিশাল জনসভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেশ ও দেশবাসীদের সেবায় নিবেদিত থাকবেন। বিরোধীদের বিশাল জনসভার দুই দিন আগে এই বক্তব্য দিয়েছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, ‘আমি শেষনিশ্বাস পর্যন্ত আমার মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকব’।
- 📌 গুজরাটের বানাসকাণ্ঠায় ১৪ হাজার কোটি রুপির মূল্যের ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তিনি।
- 📌 ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম জনসভা এই বানাসকাণ্ঠায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- 📌 মোদি বলেছেন, বিজেপি সরকার কৃষকদের ৫০ লাখ কোটি টাকা সহায়তা প্রদান করেছে এবং তারা সমপরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করেছেন।
- 📌 তিনি কৃষকদেরকে ‘উন্নত ভারত গড়ার অন্যতম শক্তি’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং পশুপালন খাতের উন্নয়নের কথা জোর দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
গুজরাটের বানাসকাণ্ঠায় আজ রোববার বিরোধীদের বিশাল জনসভার দুই দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক বিশাল জনসভায় উপস্থিত হয়ে বলেছেন, তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেশ ও দেশবাসীদের সেবায় নিবেদিত থাকবেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘আমি আমার জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমার দেশের মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকব। শেষনিশ্বাস পর্যন্ত আমি সেবার নীতিকেই ব্রত হিসেবে মেনে চলব—আমার মানুষের সেবা, প্রতিটি মানুষের সেবা।’
মোদি তার বক্তব্যে গুজরাটের মানুষের প্রতি তার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘গুজরাটবাসীই আমাকে সবকিছু শিখিয়েছেন। আমি এমন এক সাধারণ পরিবার থেকে এসেছি, যেখানে কেউ পঞ্চায়েতপ্রধান হওয়ার স্বপ্নও দেখেননি। সেই সাধারণ মানুষ থেকে আজ আমি যেখানে পৌঁছেছি, তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমি দেশের জনগণের ভালোবাসাকেই দিয়েছি।’
মোদি স্মরণ করেছেন, ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর প্রথম প্রধান জনসভা এই বানাসকাণ্ঠায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেছেন, ‘শুরুতে আমার সরকারি নথি বা প্রশাসনিক নীতি সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। গুজরাটের মানুষই পরম ভালোবাসায় আমাকে সবকিছু শিখিয়েছেন।’
সফরে তিনি ১৪ হাজার কোটি রুপির মূল্যের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন এবং বেশ কিছু প্রকল্প জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। তিনি কৃষি ও দুগ্ধশিল্প থেকে শুরু করে পরিকাঠামো এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বানাসকাণ্ঠার সাম্প্রতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন।
মোদি কৃষকদের উন্নত ভারত গড়ার অন্যতম শক্তি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার সর্বদা কৃষকদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি জানান, পশুপালন খাতে গ্রামীণ অর্থনীতির একটি অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, বিগত এক দশকে এই সেক্টরে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
মোদি দেশের পূর্ববর্তী সরকারগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বলেছেন, বর্তমান বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপি নিয়ে করা সব ওয়াদা পূরণ করেছে। তিনি জানান, এনডিএ সরকারের দূরদর্শী নীতির ফলে কৃষকরা প্রায় ৫০ লাখ কোটি রুপি পেয়েছেন এবং সমপরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করতে পেরেছেন।
"আমি আমার জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমার দেশের মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকব। শেষনিশ্বাস পর্যন্ত আমি সেবার নীতিকেই ব্রত হিসেবে মেনে চলব—আমার মানুষের সেবা, প্রতিটি মানুষের সেবা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বানাসকাণ্ঠা, গুজরাট, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ হাজার কোটি রুপি (প্রকল্পের মূল্য), ৫০ লাখ কোটি রুপি (কৃষকদের সহায়তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!