📌 সর্বশেষ জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তির জন্য আল্লাহর অসীম দয়া দেখিয়ে দুনিয়ার সমান ও তার দশগুণ সম্পদ রাখা হয়েছে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এমন ব্যক্তি হামাগুড়ি দিয়ে জাহান্নাম থেকে বের হয়ে জান্নাতের পরিপূর্ণতা দেখে বিস্মিত হয়ে আল্লাহর কাছে প্রশ্ন করবেন, যার উত্তর হিসেবে তিনি পাবেন অপার মর্যাদার পুরস্কার
জাহান্নাম থেকে সর্বশেষ মুক্তি পাওয়ার পর জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তির জন্য আল্লাহর অসীম দয়া ও মর্যাদার পরিচয় দিয়েছেন পবিত্র হাদিসে। বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তিনি সেই ব্যক্তিকে চেনেন যিনি জাহান্নাম থেকে সর্বশেষ মুক্তি পাবেন এবং জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বশেষ মানুষ। ওই ব্যক্তি হামাগুড়ি দিয়ে জাহান্নাম থেকে বের হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সর্বশেষ জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তির জন্য আল্লাহর নির্দেশে দুনিয়ার সমান ও তার দশগুণ সম্পদ রাখা হয়েছে।
- 📌 ওই ব্যক্তি জান্নাতের পরিপূর্ণতা দেখে আল্লাহর কাছে প্রশ্ন করবেন, ‘হে আমার রব! আপনি কি আমার সঙ্গে মশকরা করছেন?’
- 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.) এই বর্ণনা শুনে হাসতে হাসতে তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছিল।
- 📌 এই হাদিসে বর্ণিত পুরস্কারই মর্যাদার দিক থেকে সর্বনিম্ন জান্নাতির পুরস্কার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জাহান্নাম থেকে বের হয়ে জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তি প্রথমে দেখবেন জান্নাত পরিপূর্ণ। কিন্তু তিনি ফিরে আল্লাহর কাছে নিজের অবস্থার কথা জানাবেন। আল্লাহ তাআলা তাকে আবার জান্নাতে প্রবেশের নির্দেশ দেবেন। কিন্তু দ্বিতীয়বারও তিনি জান্নাতের পরিপূর্ণতা দেখতে পাবেন। এই প্রক্রিয়া কয়েকবার চলার পর আল্লাহ তাঁকে বলবেন, ‘তোমার জন্য দুনিয়ার সমান এবং তার দশগুণ জান্নাত রয়েছে’।
বর্ণনাকারী সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন, এই কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা.) হাসতে হাসতে তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছিল। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, এটিই মর্যাদার দিক থেকে সর্বনিম্ন জান্নাতির পুরস্কার।
"তিনি সেই ব্যক্তিকে চেনেন, যিনি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া সর্বশেষ ব্যক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বশেষ মানুষ। ওই ব্যক্তি হামাগুড়ি দিয়ে জাহান্নাম থেকে বের হবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.), রাসুলুল্লাহ (সা.)
- 📍 স্থান: (পবিত্র হাদিসে বর্ণিত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দশগুণ সম্পদ, দুনিয়ার সমান সম্পদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!