📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাহেলি যুগে নারীরা কীভাবে পুরুষের অধীনস্থ হতেন: ইসলামের আগের বিবাহপ্রথার কালো ইতিহাস

জাহেলি যুগে নারীরা কীভাবে পুরুষের অধীনস্থ হতেন: ইসলামের আগের বিবাহপ্রথার কালো ইতিহাস

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাহেলি যুগে নারীর অধিকার ছিল শূন্য। চার প্রকার বিবাহপ্রথায় নারীকে পুরুষের ভোগ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ইসলামের আগে নারীরা নিজের সন্তানকে কে পিতৃসত্তা হিসেবে স্বীকার করানোর অধিকারও ছিল না। আয়েশা রা. হাদিসে বর্ণনা করেছেন সেই কালো বিবাহপ্রথা

জাহেলি যুগে নারী জাতির সম্মান ও অধিকার ছিল শূন্য। সেই কালে নারীরা পুরুষের অধীনস্থ হয়ে জীবনযাপন করতেন। ইসলামের আগে প্রচলিত চার প্রকার বিবাহপ্রথায় নারীরা পুরুষের ভোগ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করা হতো। সেই যুগের বিবাহপ্রথার কালো ইতিহাস বর্ণনা করেছেন আয়েশা রা. হাদিসে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাহেলি যুগে চার প্রকার বিবাহপ্রথা ছিল: প্রথম প্রথা ছিল আধুনিক বিবাহের মতো, দ্বিতীয় প্রথায় স্ত্রীকে নির্দিষ্ট পুরুষের সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা হতো, তৃতীয় প্রথায় একই নারী ১০ জন পুরুষের সঙ্গে মিলিত হতেন, চতুর্থ প্রথায় নারীকে যেকেউ শয্যাসঙ্গী হতে পারতেন।
  • 📌 দ্বিতীয় প্রথায় স্ত্রীকে নির্দিষ্ট পুরুষের সঙ্গে মিলিত হওয়ার পর সন্তান জন্ম নিলে, সন্তানকে সেই পুরুষের সন্তান হিসেবে স্বীকার করতে হতো।
  • 📌 তৃতীয় প্রথায় একই নারী ১০ জন পুরুষের সঙ্গে মিলিত হয়ে সন্তান জন্ম দিলে, সন্তানকে সবাইকে উপস্থিত করে তার পছন্দমতো একজন পুরুষকে পিতৃসত্তা হিসেবে স্বীকার করতে হতো।
  • 📌 চতুর্থ প্রথায় নারীকে যেকেউ শয্যাসঙ্গী হতে পারতেন। সন্তান জন্ম নিলে ‘কাফাহ’ নামক ব্যক্তি সন্তানের বৈশিষ্ট্য দেখে পিতৃসত্তা নির্ধারণ করতেন।
  • 📌 ইসলামের আগে নারীরা নিজের সন্তানকে কে পিতৃসত্তা হিসেবে স্বীকার করানোর অধিকার ছিল না।

📰 বিস্তারিত

জাহেলি যুগে নারীরা পুরুষের অধীনস্থ হয়ে জীবনযাপন করতেন। সেই যুগের বিবাহপ্রথা ছিল অত্যন্ত নির্যাতনমূলক। আয়েশা রা. হাদিসে বর্ণনা করেছেন যে, চার প্রকার বিবাহপ্রথা ছিল প্রচলিত। প্রথম প্রথা ছিল আধুনিক বিবাহের মতো। পাত্র পাত্রীর পুরুষ অভিভাবকের নিকট বিয়ের প্রস্তাব করতেন এবং উভয় পক্ষের সম্মতিতে মোহর নির্ধারণ করে বিবাহ সম্পন্ন হতো।

দ্বিতীয় প্রথায় একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য বলতেন। স্ত্রী মাসিক ঋতু থেকে পবিত্র হওয়ার পর সেই ব্যক্তির সঙ্গে মিলিত হতেন। সন্তান জন্ম নিলে, সেই পুরুষ স্ত্রীকে আর নিজের সঙ্গে থাকতেন না। সন্তান জন্ম নিলে স্বামীর ইচ্ছা হলে তারা একত্রে থাকতেন। এই প্রথার নাম ছিল ‘নিকাহ আল–ইস্তিবদা’। এর উদ্দেশ্য ছিল সন্তানের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ এবং উন্নত জাতের সন্তান লাভ।

তৃতীয় প্রথায় একই নারী সর্বোচ্চ ১০ জন পুরুষের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। সন্তান জন্ম নিলে, সন্তানকে সবাইকে উপস্থিত করে নারীরা বলতেন, ‘তোমরা তোমাদের কর্ম সম্পর্কে অবগত আছ, যার ফলে আমি এ সন্তান জন্ম দিয়েছি।’ তারপর তারা নিজের পছন্দমতো একজন পুরুষকে সন্তানের পিতৃসত্তা হিসেবে স্বীকার করতেন।

চতুর্থ প্রথা ছিল সবচেয়ে নির্যাতনমূলক। বহু লোক একসঙ্গে এক নারীর নিকট গমন করতেন এবং যেকেউ তার শয্যাসঙ্গী হতে পারতেন। এই নারীদের পরিচয় ছিল ‘বারবণিতা’। সন্তান জন্ম নিলে, সন্তানের বৈশিষ্ট্য দেখে ‘কাফাহ’ নামক ব্যক্তি পিতৃসত্তা নির্ধারণ করতেন। সন্তানকে সেই পুরুষের সন্তান হিসেবে স্বীকার করতে হতো।

"জাহিলি যুগে চার প্রকার বিয়ের প্রচলন ছিল। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ওই নারী সবাইকে তাঁর কাছে আসার জন্য পত্র প্রেরণ করতেন। সবাই উপস্থিত হওয়ার পর ওই নারী বলতেন, ‘তোমরা তোমাদের কর্ম সম্পর্কে অবশ্যই অবগত আছ, যার ফলে আমি এ সন্তান জন্ম দিয়েছি’।" — আয়েশা রা.

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাহেলি যুগ (ইসলামের আগে)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আয়েশা রা., নারী, পুরুষ, কাফাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন পুরুষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖