📌 রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজের বিরুদ্ধে ৪ দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান। পুলিশের তদন্তে সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ পরিচালনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতা উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজের বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান ৪ দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছেন। আজ রোববার (১ নভেম্বর) আদালতে এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পুলিশের তদন্তে জানা যায়, হাফিজ তার সহযোগীদের সহায়তায় সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ পরিচালনা করছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতা উসকানি দেওয়ার মতো অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর: মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছেন।
- 📌 ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের (দক্ষিণ) পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ বশির আহমেদ ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন, কিন্তু আদালত ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
- 📌 সহিংসতা উসকানি ও অপপ্রচার হাফিজের ‘খন্দকার এ হাফিজ’ ফেসবুক আইডি এবং বিভিন্ন পেজের মাধ্যমে সরকারবিরোধী কনটেন্ট পোস্ট করা এবং পুলিশ হত্যার পক্ষে অপপ্রচার চালানো অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
- 📌 ৫ আগস্টের পর থেকে ষড়যন্ত্র গত ৫ আগস্টের পর থেকে হাফিজের নেতৃত্বে সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক ষড়যন্ত্র চালানো এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 সহযোগী আসামিদের নাম হাফিজের সহযোগী হিসেবে লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষসহ ৪৭ জনের নাম তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 গ্রেপ্তার: বনানী এলাকা থেকে গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে হাফিজকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় পল্লবী থানায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের (দক্ষিণ) পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ বশির আহমেদ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। তবে আদালত ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডভোকেট হারুন অর রশীদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।
তদন্তে জানা যায়, হাফিজ তার সহযোগীদের সহায়তায় ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদসহ পলাতক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। এর মাধ্যমে তারা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে অবৈধ তহবিল সংগ্রহ, ‘কালআজকাল.কম’ ফেসবুক পেজ ও টকশোর মাধ্যমে উসকানি ছড়ানো এবং ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ গঠনের চেষ্টা করছিলেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হাফিজের ‘খন্দকার এ হাফিজ’ ফেসবুক আইডি এবং বিভিন্ন পেজের মাধ্যমে সহিংসতা উসকে দেওয়ার মতো কনটেন্ট পোস্ট করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশের তদন্তে ৫ আগস্টের পর থেকে হাফিজের নেতৃত্বে সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া গেছে।
"আসামি খন্দকার আব্দুল হাফিজ তার সহযোগী লে. (অব.) কাজী গুলশান আরা ও লে. কর্নেল (অব.) দেবাশীষসহ (৪৭) অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ এবং সহিংস উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন আদালত, পল্লবী থানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ, ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান, পুলিশ পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ, অ্যাডভোকেট হারুন অর রশীদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ দিনের রিমান্ড, ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া, ৪৭ জন সহযোগী আসামি, ৫ আগস্টের পর থেকে ষড়যন্ত্র, ১২ অক্টোবর মামলা দায়ের
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!