📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামে কুকুর ও বিড়াল পালনের প্রকৃত বিধান: কেন শখের কুকুর নিষিদ্ধ আর বিড়াল বৈধ?

ইসলামে কুকুর ও বিড়াল পালনের প্রকৃত বিধান: কেন শখের কুকুর নিষিদ্ধ আর বিড়াল বৈধ?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামে কুকুর পোষা শখের জন্য নিষিদ্ধ, কিন্তু প্রয়োজনে বৈধ; বিড়াল পোষা বৈধ হলেও সুন্নত নয়। হাদিসে কুকুরের লালা অপবিত্র ও পাপের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে প্রয়োজনে বাইরে রাখা বৈধ। বিড়ালের প্রতি দয়া দেখানো সওয়াবের কাজ, কিন্তু নিষ্ঠুরতা অপরাধ

ইসলামে প্রাণী পালনের বিষয়ে প্রচলিত একটি ভ্রান্ত ধারণা হলো ‘কুকুর পোষা পাপ, বিড়াল পোষা সুন্নত’। কিন্তু ইসলামের নীতিমালা এই ধারণার সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কুকুর ও বিড়াল পালনের প্রকৃত বিধান সম্পর্কে ইসলামি পণ্ডিতদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, শখের জন্য কুকুর পোষা নিষিদ্ধ, তবে প্রয়োজনে বৈধ; অন্যদিকে বিড়াল পোষা বৈধ হলেও এটি কোনো ধর্মীয় সুন্নত নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শখের কুকুর পোষা নিষিদ্ধ: ঘরের ভেতরে শুধু শখের জন্য কুকুর রাখা ইসলামে নিষিদ্ধ। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ঘরে কুকুর বা মানুষের ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২২৫)।
  • 📌 প্রয়োজনে কুকুর পোষা বৈধ: শিকার, নিরাপত্তা বা গবাদিপশুর পাহারা দেওয়ার মতো যৌক্তিক প্রয়োজনে কুকুর পোষা বৈধ। তবে কুকুরকে মানুষের থাকার ঘরের বাইরে রাখতে হবে।
  • 📌 বিড়াল পোষা বৈধ, কিন্তু সুন্নত নয়: বিড়াল পোষা বৈধ (মোবাহ) কাজ, কিন্তু এটি কোনো সুন্নত নয়। ইমাম নববি বলেছেন, বিড়ালের প্রতি দয়া দেখানো সওয়াবের কাজ (নববি, আল-মিনহাজ, ৩/২১৩)।
  • 📌 কুকুরের লালা অপবিত্র: কুকুরের লালা অপবিত্র এবং বিভিন্ন রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকায় ইসলাম একে ঘরে রাখতে নিরুৎসাহিত করেছে (ইবনে আবিদিন, রদ্দুল মুহতার, ৬/৩৮৭)।
  • 📌 বিড়ালের প্রতি নিষ্ঠুরতা অপরাধ: বিড়ালকে অনাহারে মেরে ফেলার কারণে এক নারীর দোজখে যাওয়ার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৮২)।

📰 বিস্তারিত

ইসলামে প্রাণী পালনের বিষয়ে প্রচলিত একটি কথা হলো ‘কুকুর পোষা পাপ, বিড়াল পোষা সুন্নত’। কিন্তু এই ধারণার ভিত্তি কতটা সঠিক তা নিয়ে বিশ্লেষণ করা দরকার। ইসলামের মূল নীতিতে সৃষ্টির প্রতি দয়া ও সহমর্মিতা জোরালোভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। কুকুর ও বিড়াল পালনের ক্ষেত্রে ইসলামের বিধানও এই মূলনীতি অনুসরণ করে।

শখের জন্য কুকুর পোষা নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ হলো এর লালা অপবিত্র এবং বিভিন্ন রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শিকার বা গবাদিপশুর পাহারা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছাড়া কুকুর পোষে, তার প্রতিদিন দুই ‘কিরাত’ পুণ্য কমে যায়’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৫৭৫)। তবে প্রয়োজনে কুকুর পোষা বৈধ। পবিত্র কোরআনে শিকারি কুকুরের কথা সম্মানসূচক উল্লেখ করা হয়েছে: ‘তোমরা যেসব শিকারি প্রাণীকে আল্লাহর দেওয়া জ্ঞান থেকে শিক্ষা দিয়ে শিকার করা শিখিয়েছ, তারা তোমাদের জন্য যা ধরে আনে, তা থেকে তোমরা খাও’ (সুরা মায়িদা, আয়াত: ৪)।

বিড়াল পালনের ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান সম্পূর্ণ আলাদা। বিড়াল পরিষ্কার প্রাণী এবং এর লালা অপবিত্র নয়। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘বিড়াল অপবিত্র নয়; এরা তোমাদের আশপাশেই ঘোরাফেরা করে’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৭৫)। তবে ‘বিড়াল পোষা সুন্নত’ বলে মনে করা যাবে না। এটি বৈধ কাজ হলেও ধর্মীয় ইবাদত নয়। ইমাম নববি বলেছেন, বিড়ালের প্রতি দয়া দেখানো সওয়াবের কাজ। তবে বিড়ালকে অনাহারে মেরে ফেলা বা নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন ইসলামে অপরাধ।

"যে ঘরে কুকুর বা প্রাণী ও মানুষের ছবি থাকে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না।" — সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩২২৫
"বিড়াল অপবিত্র নয়; এরা তোমাদের আশপাশেই ঘোরাফেরা করে।" — সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৭৫

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামি ফিকহের বিধান (কোরআন ও হাদিস)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ইবনে আবিদিন, মহানবী (সা.), ইমাম নববি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (সুরা মায়িদা আয়াত), ৬ (রদ্দুল মুহতার খণ্ড), ৭৫ (সুনানে আবু দাউদ হাদিস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖