📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুইস সর্বোচ্চ আদালত Liberian যুদ্ধাপরাধী কমান্ডারের ২০ বছরের কারাদণ্ড রক্ষা করে, কিন্তু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে মুক্তি দেয়

সুইস সর্বোচ্চ আদালত Liberian যুদ্ধাপরাধী কমান্ডারের ২০ বছরের কারাদণ্ড রক্ষা করে, কিন্তু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে মুক্তি দেয়

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুইস সর্বোচ্চ আদালত Liberian যুদ্ধাপরাধী আলিয়ু কোসিয়াহর ২০ বছরের কারাদণ্ড রক্ষা করে, কিন্তু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে তাকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কোসিয়াহকে ১৯৯৩-৯৫ সালের প্রথম লিবেরিয়ান গৃহযুদ্ধে যুদ্ধবিধি লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

সুইস সর্বোচ্চ আদালত শনিবার Liberian যুদ্ধাপরাধী কমান্ডার আলিয়ু কোসিয়াহর ২০ বছরের কারাদণ্ড রক্ষা করে, কিন্তু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে তার দোষী সাব্যস্ত হওয়া বাতিল করে দেয়। কোসিয়াহ, যিনি ৫১ বছর বয়সী, ১৯৮৯-২০০৩ সালের লিবেরিয়ার প্রথম গৃহযুদ্ধে (যেখানে প্রায় ২৫০,০০০ লোক নিহত হয়) নৃশংসতা চালানোর জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুইস সর্বোচ্চ আদালত আলিয়ু কোসিয়াহর ২০ বছরের কারাদণ্ড রক্ষা করে, কিন্তু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে তাকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়
  • 📌 আদালত বলেছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ‘অতীতে ফিরে যাওয়া’ নীতির কারণে
  • 📌 কোসিয়াহকে ১৯৯৩-৯৫ সালের প্রথম লিবেরিয়ান গৃহযুদ্ধে ১৭ জন নাগরিক ও ২ জন অস্ত্রহীন সৈনিকের হত্যা, নির্যাতন ও শিশু সৈনিক ব্যবহারে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল
  • 📌 সুইস আদালতের এই সিদ্ধান্ত বিশ্বের প্রথম Liberian যুদ্ধাপরাধী হিসেবে কোসিয়াহকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনাকে চিরস্থায়ী করে তোলে

📰 বিস্তারিত

২০২১ সালে সুইস ফেডারেল ক্রাইমিনাল কোর্ট আলিয়ু কোসিয়াহকে Liberian ইউনাইটেড লিবারেশন মুভমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি (ULIMO) রেবেল গ্রুপের কমান্ডার হিসেবে নৃশংসতা চালানোর জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছিল। আদালতের এপিলস চেম্বার ২০২৩ সালে তার ২০ বছরের কারাদণ্ড রক্ষা করে এবং সুইস ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে সর্বোচ্চ আদালতের সেপ্টেম্বর ২৮ তারিখের সিদ্ধান্তে কোসিয়াহকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে মুক্তি দেয়া হয়।

সুইস আদালতের বিবৃতি অনুযায়ী, “সুইস সর্বোচ্চ আদালত Liberian একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, যিনি ১৯৯৩-৯৫ সালের প্রথম লিবেরিয়ান গৃহযুদ্ধে যুদ্ধবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কোসিয়াহকে দোষী সাব্যস্ত করার বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন। তবে আদালত মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে তাকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কারণ এই অপরাধটি ২০১১ সালের পরে সুইস আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং কোসিয়াহের অপরাধগুলি সেই সময়ের আগে সংঘটিত হয়েছিল।”

সুইস আইন অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী বিচার নীতির অধীনে, সুইস আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের বিচার করতে পারে, যেখানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা নির্বিশেষে। কোসিয়াহ ১৯৯০-এর দশকের শেষে সুইসের স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং ২০১৪ সালে গ্রেফতার হন।

সুইস সংগঠন Civitas Maxima, যারা আন্তর্জাতিক অপরাধের দায়িত্বদারদের বিচার করতে কাজ করে, বলেছে, “এই সিদ্ধান্ত সুইস নাগরিক আদালতের প্রথম যুদ্ধাপরাধী বিচারের সিদ্ধান্তকে চিরস্থায়ী করে তোলে এবং লিবেরিয়ার গৃহযুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধে প্রথম Liberian হিসেবে কোসিয়াহকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনাকে চিরস্থায়ী করে তোলে।”

Civitas Maxima-এর পরিচালক অ্যালাইন ওয়ের্নার বলেছেন, “আজ কোসিয়াহর অপরাধের শিকারদের জন্য চিরস্থায়ী বিচার হয়েছে। তবে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের খুব হতাশ করেছে। ১৯৯৩-৯৫ সালের লোফা অঞ্চলে যা ঘটেছিল, তা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের সত্যিকারের সংজ্ঞা।”

"সুইস সর্বোচ্চ আদালত Liberian একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, যিনি ১৯৯৩-৯৫ সালের প্রথম লিবেরিয়ান গৃহযুদ্ধে যুদ্ধবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কোসিয়াহকে দোষী সাব্যস্ত করার বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন"
"তবে আদালত মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে তাকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কারণ এই অপরাধটি ২০১১ সালের পরে সুইস আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং কোসিয়াহের অপরাধগুলি সেই সময়ের আগে সংঘটিত হয়েছিল"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুইস সর্বোচ্চ আদালত, জেনেভা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলিয়ু কোসিয়াহ, অ্যালাইন ওয়ের্নার, সুইস সর্বোচ্চ আদালত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর কারাদণ্ড, ২৫০,০০০ নিহত, ১৭ জন নাগরিক হত্যা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖