📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গারো পাহাড়ে মোমবাতির আলোয় জাগ্রত মানবতার জননী: ৪০-৪৫ হাজার পুণ্যার্থীর তীর্থযাত্রা

গারো পাহাড়ে মোমবাতির আলোয় জাগ্রত মানবতার জননী: ৪০-৪৫ হাজার পুণ্যার্থীর তীর্থযাত্রা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ে ফাতেমা রানীর তীর্থোৎসবের ২৯তম আয়োজনে মোমবাতি হাতে হাজারো খ্রিষ্টভক্ত অংশ নেন। দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ৪০-৪৫ হাজার পুণ্যার্থী অংশ নেন এবং মা মারিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ে মোমবাতির আলোয় জাগ্রত মানবতার জননী ফাতেমা রানীর তীর্থোৎসবের ২৯তম আয়োজনে মোমবাতি হাতে হাজারো খ্রিষ্টভক্ত অংশ নেন। দুই দিনব্যাপী এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার পুণ্যার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং মা মারিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারত সীমান্তে গারো পাহাড়ে মোমবাতি হাতে শোভাযাত্রায় অংশ নেন ৪০-৪৫ হাজার খ্রিষ্টভক্ত
  • 📌 তীর্থোৎসবের প্রতিপাদ্য: ‘মানবতার জননী: ফাতেমা রানী মা মারিয়া’
  • 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন ও পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় কর্মকর্তারা
  • 📌 নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৪০০-এর বেশি পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন
  • 📌 ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত ধর্মপল্লিতে ১৯৯৮ সালে ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের বিশপ ফ্রান্সিস এ গমেজ ‘ফাতেমা রানীর তীর্থস্থান’ হিসেবে ঘোষণা করেন

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার রাতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ে বারোমারী সাধু লিওর ধর্মপল্লিতে ফাতেমা রানীর তীর্থোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিকেল ৪টায় পবিত্র খ্রিষ্টযাগের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাত ৮টায় মোমবাতি হাতে শোভাযাত্রা বের হয়, যেখানে প্রায় দুই কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে হাজারো পুণ্যার্থী এগিয়ে যান। রাত ১১টায় মা মারিয়ার মূর্তি সামনে রেখে বিশাল প্যান্ডেলে আরাধ্য সাক্রামেন্টের আরাধনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মধ্যরাতে নিরাময় অনুষ্ঠান ও নিশি জাগরণের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের কার্যক্রম শেষ হয়।

আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় জীবন্ত ক্রুশের পথ এবং সকাল ১০টায় মহাখ্রিষ্টযাগের মধ্য দিয়ে এই দুই দিনব্যাপী তীর্থোৎসবের সমাপ্তি হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), এপিবিএন, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্ত এলাকা হওয়ায় বিজিবিও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছে। পুরো ধর্মপল্লি গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে।’

“আমরা বিশ্বাস করি, মা ফাতেমা রানী এখানে জাগ্রত আছেন। তাঁকে ভক্তি ও সম্মান করি। মনের ইচ্ছা ও বাসনা জানিয়ে মানত করি। সেগুলো পূরণ করেন তিনি।” — উপমা চিসিম, ঢাকা থেকে আসা পুণ্যার্থী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা, গারো পাহাড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা রানী, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, রেভারেন্ট ফাদার তরুণ বনোয়ারি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০-৪৫ হাজার পুণ্যার্থী, ২৯তম আয়োজন, ৪২ একর জমি, ৪০০+ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖