📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাটোরের গুরুদাসপুরে এমপির দুই ছেলের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই: খুন, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের অভিযোগ

নাটোরের গুরুদাসপুরে এমপির দুই ছেলের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই: খুন, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের দুই ছেলে মিন্টু ও সোহাগের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে। ছেলেরা মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের অভিযোগে জড়িত থাকার পাশাপাশি ছেলেদের মধ্যে খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ মিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে।

নাটোরের গুরুদাসপুরে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের দুই ছেলে মাহমুদুজ্জামান সোহাগ ও নুরুজ্জামান মিন্টুর মধ্যে ক্ষমতার লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে। এলাকায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের জন্য তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে ছেলেদের মধ্যে খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ মিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এখন তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের নানা অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে মিন্টুকে পুলিশ খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে।
  • 📌 ছেলেদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ে সোহাগের অনুসারী শাকিল ইসলাম (৩২) মিন্টুর হামলায় নিহত হন।
  • 📌 মিন্টু মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার পাশাপাশি চাঁদাবাজি করে বিপুল টাকা জমা করেছেন।
  • 📌 সোহাগের দখলে রয়েছে গুরুদাসপুর উপজেলার সব সরকারি অফিস এবং ঠিকাদারিত্ব।
  • 📌 ১১ বিঘা জমিতে অবৈধ পুকুর খননের মাধ্যমে মিন্টু ৬০ লাখ টাকা অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ।

📰 বিস্তারিত

নাটোরের গুরুদাসপুরে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের দুই ছেলে মিন্টু ও সোহাগের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে। এলাকার ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম (৩২) মিন্টুর হামলায় ২৬ অক্টোবর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পুলিশ মিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এ ঘটনায় সোহাগের অনুসারী শাকিলের ওপর হামলার অভিযোগে মিন্টুকে দায়ী করা হয়েছে।

সোহাগের অনুসারী শাকিলের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি কর্মী শাহ আলমের ওপর ১৮ অক্টোবর হামলা হয়। শাহ আলমের দাবি, তিনি শাকিলের মৃত্যুর প্রতিবাদে হামলা করেছিলেন। এরপর মিন্টুর নেতৃত্বে তাঁর ওপর মারধর করা হয়। এলাকার মানুষ মিন্টু ও সোহাগের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ করছেন।

সোহাগের টার্গেট ছিল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সুজাউদ্দৌলা সুজন। সুজন দাবি করেন, ১২ অক্টোবর সোহাগ তাঁকে মোবাইলে হুমকি দেন এবং সশস্ত্র অবস্থায় দলবল নিয়ে তাঁকে আক্রমণ করার চেষ্টা করেন। সুজন বলেন, ‘আমি এখন জান হাতে নিয়ে ঘুরছি।’

মিন্টু মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার পাশাপাশি চাঁদাবাজি করে বিপুল টাকা জমা করেছেন। তিনি গুরুদাসপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোহাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সম্পাদক। দুই ভাইয়ের মধ্যে দা-কুমড়া সম্পর্কের কারণে মিন্টু বাড়ি ছেড়ে আলাদা বাসা ভাড়া নিয়েছেন।

সোহাগের ভায়রা ভাই একটি সার ডিলারশিপ পেয়েছেন, যেখানে ২৫-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। মিন্টু নিজে একটি ডিলারশিপ পেলেও টাকার ভাগ পাননি। বিএনপির এক নেতা জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তারা একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।

একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে দুই ভাই প্রকাশ্য বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা একে অপরকে পিস্তল দেখান। এমপি আব্দুল আজিজ পুরস্কার বিতরণ না করেই মঞ্চ থেকে চলে যান। সোহাগ দাবি করেন, তিনি ওই অনুষ্ঠানে যাননি এবং দলে বিরোধী পক্ষের অপতথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

মিন্টু দখলদারত্বের অভিযোগে স্থানীয়রা বলছেন, তিনি এলাকার অবৈধ পুকুর খননের মাধ্যমে টাকা জমা করেছেন। ধারবাড়িয়া এলাকায় ১১ বিঘা জমিতে পুকুর কেটে মিন্টু প্রতি গাড়ি মাটি বিক্রি করে ১ হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকা পেয়েছেন। তিনি প্রায় ৬০ লাখ টাকা নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

"আমি এখন জান হাতে নিয়ে ঘুরছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুরুদাসপুর, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল আজিজ, মাহমুদুজ্জামান সোহাগ, নুরুজ্জামান মিন্টু, শাকিল ইসলাম, শাহ আলম, সুজাউদ্দৌলা সুজন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ (শাকিলের বয়স), ১৪ (অক্টোবর), ২৬ (অক্টোবর), ১২ (অক্টোবর), ১৮ (অক্টোবর), ৫ (আগস্ট-পরবর্তী), ২৫-৩০ (লাখ টাকা), ১১ (বিঘা জমি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖