📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইল যুবকদের লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনে প্রতিমন্ত্রী টুকু: ১৭৪ জনের মধ্যে ২ জনের কাহিনী

টাঙ্গাইল যুবকদের লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনে প্রতিমন্ত্রী টুকু: ১৭৪ জনের মধ্যে ২ জনের কাহিনী

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরে আসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দুই যুবক। তাদের পরিবারের সাথে জড়িত দুজনকে অভিযোগ করা হয় মানবপাচার ও অর্থনৈতিক শোষণে। একই দিনে ১৭৪ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরে আসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দুই যুবক। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে তাদের জন্য। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের পৌঁছানো হয় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে। তারা হলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের কাকুয়া গ্রামের ফজলু হকের ছেলে সবুজ আলী (২২) এবং আব্দুল মালেকের ছেলে মেহেদী হাসান (২৩)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরে আসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দুই যুবক সবুজ আলী (২২) ও মেহেদী হাসান (২৩) — প্রতিমন্ত্রী টুকুর সহযোগিতায়
  • 📌 ৩২ লাখ টাকা শোষণ অভিযোগে তাদের লিবিয়ায় পাঠানোর পেছনে জড়িত ঘারিন্দা এলাকার কাইয়ুম ও এলেঙ্গা এলাকার আমিন
  • 📌 দীর্ঘ ৭ মাসের অপেক্ষা শেষে পুলিশ আটক করে তাদের লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে
  • 📌 ১৭৪ জনের মধ্যে ২ জন — একই দিনে ৩৬ জন সাগর থেকে উদ্ধার ও ১৩৮ জন স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আসেন
  • 📌 ৪১ জন অসুস্থ প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইতালিতে কাজের আশ্বাসে বিদেশে যান সবুজ ও মেহেদী। সৌদি আরব ও মিসরসহ বিভিন্ন দেশ ঘুরিয়ে তাদের লিবিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পরিবারের কাছ থেকে ধাপে ধাপে মোট ৩২ লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ। প্রায় সাত মাস পর লিবিয়ার পুলিশ তাদের আটক করে এবং তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাদের বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে টাঙ্গাইল শহরের ঘারিন্দা এলাকার কাইয়ুম ও এলেঙ্গা এলাকার আমিন জড়িত। কাইয়ুম পেশায় সিএনজিচালিত অটোচালক।

দেশে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না করে এক পর্যায়ে দুই যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মেহেদী হাসানের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এরপর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে তার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও তার খোঁজ পাননি স্বজনেরা। এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে সবুজ আলীর বড় ভাই মালয়েশিয়াপ্রবাসী রিপন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণ পাঠান। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে দুই যুবকের অবস্থান শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সবুজের বড় ভাই রিপন আহমেদ আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন। বিষয়টি জানার পর দুই যুবকের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরে আমরা স্বস্তি বোধ করছি। একই সঙ্গে সবাইকে বৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

"আমি নিরুপায় হয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করি। তিনি আমার কথা শুনেছেন এবং সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছেন। তার সহায়তা না পেলে ভাই কোথায় আছে, সেটিও হয়তো জানতে পারতাম না। তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল সদর উপজেলা (কাকুয়া ইউনিয়ন, কাকুয়া গ্রাম), ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (প্রতিমন্ত্রী), সবুজ আলী (২২), মেহেদী হাসান (২৩), রিপন আহমেদ (মালয়েশিয়া), কাইয়ুম (ঘারিন্দা এলাকা), আমিন (এলেঙ্গা এলাকা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (তারিখ), ২২ বছর (সবুজ আলীর বয়স), ২৩ বছর (মেহেদী হাসানের বয়স), ৩২ লাখ টাকা (শোষিত অর্থ), ১৭৪ জন (প্রত্যাবাসিত), ৩৬ জন (সাগর থেকে উদ্ধার), ১৩৮ জন (স্বেচ্ছায় ফিরে আসা), ৪১ জন (অসুস্থ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖