📌 মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার বিনিময়ে তৎকালীন সরকার মানিক পশারিকে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করেছিল বলে দাবি করেছেন পিরোজপুরের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তারা বলেছেন, মানিক পশারী একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা
পিরোজপুরের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জহিরুল হক ও আব্দুস সালাম বাতেন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে মানিক পশারিকে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন। তারা বলেছেন, মানিক পশারী একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং সাঈদী সাহেব কখনো রাজাকার ছিলেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন মানিক পশারী — দাবি করেছেন পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জহিরুল হক ও আব্দুস সালাম বাতেন।
- 📌 তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মানিক পশারিকে পুরস্কার হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করেছিল — কারণ সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে।
- 📌 মানিক পশারী একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা — দাবি করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। তারা বলেছেন, সাঈদী সাহেব কখনো রাজাকার ছিলেন না এবং ১৯৭১ সালে পিরোজপুরেও ছিলেন না।
- 📌 গার্ড অব অনার দিতে জামায়াত বাধা দেয় — মানিক পশারীর মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার সময় জামায়াতের বাধা ছিল।
- 📌 ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন মানিক পশারী — গত ২৪ অক্টোবর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার মৃত্যু হয়।
📰 বিস্তারিত
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে মানিক পশারিকে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বাতেন। তিনি বলেন, সাঈদী সাহেব কখনো রাজাকার ছিলেন না। ১৯৭১ সালে মানুষ তাকে চিনত না এবং তিনি পিরোজপুরেও ছিলেন না। সাঈদী সাহেব একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি বক্তা ছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জহিরুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। চাপে মানিক পশারী সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন। এরপর তাকে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করা হয়। পরে আর যাচাই-বাছাই হয়নি। তিনি আরও বলেন, মানিক পশারীর মৃত্যুর পর সরকারি নিয়মে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে, কারণ তিনি এখনো গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। তবে জামায়াতের বাধার কারণে গার্ড অব অনার দেওয়ার সময় জটিলতা দেখা দেয়।
গত ২৪ অক্টোবর সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মানিক পশারীর মৃত্যু হয়। তার মরদেহ দুপুরে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনা হয়। বিকালে পুলিশ লাইনসে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। রাত একটার দিকে তার মরদেহ নিজ বাড়িতে নেওয়া হয় এবং রাত একটা ২০ মিনিটের দিকে দাফন সম্পন্ন হয়।
"মানিক পশারী সরকারি গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা, সে কারণে পুলিশ প্রশাসন তাকে গার্ড অব অনার দিতে বাধ্য হয়েছে। এ কারণে সাঈদীর অনুসারীরা বাধা দিয়েছিল। আমরাও জানি, তিনি একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।"
"আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। সেখানে চাপে হোক বা যেভাবেই হোক, মানিক পশারী সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন। এরপর তাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর সদর উপজেলা, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা জহিরুল হক, আব্দুস সালাম বাতেন, মানিক পশারী, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭ বছর (মানিক পশারীর বয়স), ২৪ অক্টোবর (মৃত্যু তারিখ), ১টা ২০ মিনিট (দাফন সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!