📌 কম্বোডিয়া থেকে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ৩ হাজার বাংলাদেশিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সময় ৮৭টি দেশের ৫২ হাজার ৩৯ জনকে আটক ও বহিষ্কার করা হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চীনা নাগরিক। মানবপাচার ও সাইবার স্ক্যামের সাথে জড়িত বাংলাদেশিদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
কম্বোডিয়া সরকার ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৯ মাসে ৩ হাজার বাংলাদেশিকে বহিষ্কার করেছে। এ সময় দেশটি ৮৭টি দেশের মোট ৫২ হাজার ৩৯ জন নাগরিককে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে আটক ও বহিষ্কার করেছে। এতে বাংলাদেশি নাগরিকদের সংখ্যা সর্বোচ্চ, যা সাইবার স্ক্যাম ও মানবপাচারের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহ উত্থাপন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ৩ হাজার বাংলাদেশিকে বহিষ্কার করা হয়েছে
- 📌 ৮৭টি দেশের মোট ৫২ হাজার ৩৯ জনকে আটক ও বহিষ্কার করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চীনা নাগরিক (২৩ হাজার)
- 📌 ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় বহিষ্কারের সংখ্যা বেড়েছে ৪১ হাজার ৬৮৫ জন
- 📌 বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৩৮টি দেশের ১৮ হাজার নাগরিককে সরাসরি অনলাইন প্রতারণায় জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে
- 📌 মানবপাচারের শিকার বাংলাদেশিদের শনাক্ত ও সুরক্ষা দাবি করেছে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন
📰 বিস্তারিত
কম্বোডিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের (জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১০৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ৮৭টি দেশের মোট ৫২ হাজার ৩৯ জন নাগরিককে আটক ও বহিষ্কার করা হয়। এতে চীনা নাগরিকদের সংখ্যা সর্বোচ্চ (২৩ হাজার), এরপর ইন্দোনেশীয় (৮ হাজার), ভিয়েতনামি (৪ হাজার), বাংলাদেশি (৩ হাজার), পাকিস্তানি (২.৫ হাজার), মিয়ানমার (২ হাজার) ও থাই (১.৫ হাজার)।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৩৮টি দেশের ১৮ হাজার নাগরিককে সরাসরি অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশিদের মধ্যে কতজন এ ধরনের অপরাধে জড়িত ছিলেন, তার নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধার ও সুরক্ষায় কাজ করা অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন বলেছে, বহিষ্কৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে কতজন মানবপাচার ও জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শিকার, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি।
সংগঠনটি দাবি করেছে, যথাযথ যাচাই ছাড়াই বহিষ্কৃত সবাইকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। তারা বলেছেন, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ভুক্তভোগী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
"বহিষ্কৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে কতজন মানবপাচার ও জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শিকার, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত না করলে তারা আবার পাচারের শিকার হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কম্বোডিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশি নাগরিক, অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার (বহিষ্কৃত বাংলাদেশি), ৫২ হাজার ৩৯ জন (মোট আটক-বহিষ্কৃত), ৯ মাস (অভিযানকাল), ৩৮টি দেশ (অনলাইন প্রতারণায় জড়িত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!