📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দকৃত ৭০ হাজার কোটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনতুষ্টিমূলক কাজের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বাজেটের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার ও প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের দাবি জানিয়েছেন
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত স্বাস্থ্যখাতের বাজেট অপচয় রোধে জনতুষ্টিমূলক কাজের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শুধু খরচ করার জন্য অর্থ ব্যয় করা বা অপরিকল্পিতভাবে দামি যন্ত্রপাতি কেনা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারে না। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী দশ বছরে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও প্রান্তিক মানুষেরবান্ধব স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ৭০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনতুষ্টিমূলক কাজের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
- 📌 উচ্চ রক্তচাপ ও অসংক্রামক রোগের প্রতিরোধে বাজেটের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার এবং প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
- 📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, শুধু দামি যন্ত্রপাতি বা হাসপাতাল ভবন নির্মাণই সমস্যার সমাধান নয়, বরং নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ ও প্রিভেন্টিভ কেয়ার প্রয়োজন।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, অতীতের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে টিকাদান থেকে শুরু করে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে।
- 📌 বিশেষজ্ঞদের পুনরায় গোলটেবিলে বসে স্বাস্থ্যখাতের পরিচালনার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৮ অক্টোবর, ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসহ অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ এবং উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রাপ্তির উপায় ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বৈঠকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং বিশিষ্ট চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থের প্রতিটি পয়সা জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় করতে হবে এবং কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অপব্যবহার রোধ করতে হবে। তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও অসংক্রামক রোগের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকে। শুধু দামি যন্ত্রপাতি কেনা বা হাসপাতাল ভবন নির্মাণই সমস্যার সমাধান নয়। বরং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ, হেলথ প্রমোশন এবং প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ারে অর্থ বিনিয়োগ করা এখন সবচেয়ে জরুরি।
তিনি অতীতের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলেন, কোনো বিকল্প চিন্তা না করে হঠাৎ করে সেক্টর ওয়াইড প্রোগ্রাম বন্ধ করার কারণে টিকাদান থেকে শুরু করে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। তিনি বলেন, 'সদিচ্ছা থাকলেই প্রশাসন চালানো যায় না, প্রতিটি সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী পরিণতি থাকে।' তিনি বিশেষজ্ঞদের পুনরায় গোলটেবিলে বসে স্বাস্থ্যখাতের পরিচালনার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও প্রস্তাবনা তৈরি করার আহ্বান জানান।
"সদিচ্ছা থাকলেই প্রশাসন চালানো যায় না, প্রতিটি সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী পরিণতি থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ হাজার কোটি টাকা (স্বাস্থ্য বাজেট), ১০ বছর (দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যব্যবস্থা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!