📌 মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের জন্য ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সরকারি অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা। অনুমোদিত সেন্টার ছাড়া কোনো পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দালালদের পাসপোর্ট ও টাকা চুরার চেষ্টা থেকে কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে
মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের জন্য ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সরকারি অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এই পরীক্ষা ছাড়া মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এই নির্দেশনা জারি করেছে এবং কর্মীদের সতর্ক করেছে যে, অনুমোদিত সেন্টার ছাড়া কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
- 📌 অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার ছাড়া কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- 📌 ৩১ অক্টোবরের আগে করা কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
- 📌 দালাল ও অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমতি ছাড়া পরীক্ষা করানোর চেষ্টা করছে, কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে।
- 📌 অনুমোদিত সেন্টারের তালিকা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।
- 📌 নির্দেশনা অমান্য করলে মেডিকেল সেন্টার ও এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বুধবার তাদের ফেসবুক পেজে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই নির্দেশনা জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের জন্য যেসব কর্মী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন, তাদের পরীক্ষা করতে হবে মন্ত্রণালয় অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলিতে। অন্য কোনো সেন্টারে পরীক্ষা করা বা করানো যাবে না।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো মেডিকেল সেন্টার যদি সরকারি নির্দেশনা মেনে না চলে, তাহলে তা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এছাড়া, ৩১ অক্টোবরের আগে করা কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রক্রিয়াকরণ করা হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। কিছু দালাল ও অসাধু এজেন্সি অনুমতি ছাড়া মেডিকেল পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। মন্ত্রণালয় কর্মীদের এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার এবং অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র এবং ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে। নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাতিল করা হতে পারে।
অবৈধ বা অনুমোদনহীন মেডিকেল পরীক্ষা বা এ ধরনের কার্যক্রমের তথ্য জানা থাকলে কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে, ঘটনার তারিখ, স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রমাণসহ মন্ত্রণালয়কে জানানোর জন্য ইমেইল [email protected] এ মেইল করা। কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় মন্ত্রণালয় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখবে।
"কোনো মেডিকেল সেন্টার সরকারি নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। ৩১ অক্টোবরের আগে করা কোনো মেডিকেল পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রক্রিয়াকরণ করা হবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শরীফুল ইসলাম (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!