📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কম্বোডিয়ায় মানব পাচারের জালে পড়া দুই বাংলাদেশি: পাসপোর্ট কেড়ে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি করে স্ক্যাম সেন্টারে বাধ্য করা

কম্বোডিয়ায় মানব পাচারের জালে পড়া দুই বাংলাদেশি: পাসপোর্ট কেড়ে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি করে স্ক্যাম সেন্টারে বাধ্য করা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভালো চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় যাওয়া দুই বাংলাদেশি তরুণকে পাচারকারীরা পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে ৫ হাজার ডলারে স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দিয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে তারা মুক্তি পেলেও দেশে ফিরতে আরেকবার টাকা দিতে হয়েছিল। পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে

ভালো চাকরির আশায় কম্বোডিয়ায় যাওয়া দুই বাংলাদেশি তরুণকে পাচারকারীরা পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে ৫ হাজার মার্কিন ডলারে স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দিয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে তারা মুক্তি পেলেও দেশে ফিরতে আরেকবার টাকা দিতে হয়েছিল। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কম্বোডিয়ায় পাচার ও প্রতারণায় বাধ্য করা দুই বাংলাদেশি তরুণকে সিআইডি গ্রেপ্তার করেছে।
  • 📌 পাচারকারীরা পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে ৫ হাজার ডলারে স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দিয়েছে।
  • 📌 অনলাইনে প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করা হতো, কাজ করতে না চাইলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।
  • 📌 মুক্তিপণ হিসেবে আরেকবার ৫ হাজার ডলার দিতে হয়েছিল, দেশে ফিরতে আরেকবার টাকা দিতে হয়েছিল।
  • 📌 গাজীপুরের পুবাইল এলাকার মো. শাওন মোল্লা (২৩) ও মো. সাকিব সরকার (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • 📌 ২০২৫ সালে কম্বোডিয়ায় যেতে ১২ হাজার ২৬৩ জন বাংলাদেশি ছাড়পত্র নিয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

ভালো চাকরি ও সচ্ছল জীবনের আশায় কম্বোডিয়ায় যান দুই বাংলাদেশি তরুণ। কিন্তু দেশটিতে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর পাঁচ হাজার মার্কিন ডলারে স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে জোর করে অনলাইনে প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করা হতো। কাজ করতে না চাইলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।

সিআইডি জানায়, স্ক্যাম সেন্টারে অনলাইনে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে অস্বীকৃতি জানালে বা সামান্য ভুল করলেও তাদের নির্যাতন করা হতো। নিজের ইচ্ছায় বেরিয়ে আসা বা নিরাপদে দেশে ফেরার সুযোগ ছিল না। মুক্তির পরও পাচারকারীরা তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখত। দেশে ফিরতে বিমানের টিকিটের জন্য আরেকবার টাকা আদায় করা হয়।

মুক্তির পরও তারা প্রায় দুই মাস কম্বোডিয়ার একটি স্থানীয় হোটেলে থাকেন। অনলাইনে ব্র্যাক মাইগ্রেশন সেন্টারের সহায়তায় গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে ২৬ অক্টোবর এ ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে গাজীপুরের পুবাইল এলাকার মো. শাওন মোল্লা (২৩) ও মো. সাকিব সরকার (২৬)।

"স্ক্যাম সেন্টারে অনলাইনে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে অস্বীকৃতি জানালে কিংবা সামান্য ভুল করলেও তাঁদের নির্যাতন করা হতো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কম্বোডিয়া, বাংলাদেশ (পল্টন, গাজীপুরের পুবাইল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাওন মোল্লা (২৩), মো. সাকিব সরকার (২৬)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার মার্কিন ডলার, ২৩ বছর, ২৬ বছর, ১২ হাজার ২৬৩ জন, ৮ নম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖