📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইনম্যান দীপক চন্দ্র দাস গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিদ্যুতের মিটার পরিবর্তন ও সংযোগ স্থানান্তরের অভিযোগ পেয়েছেন। অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, টাকা নিয়ে কাজ না করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আরইবির চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের লাইনম্যান দীপক চন্দ্র দাস গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিদ্যুতের মিটার পরিবর্তন, সংযোগ স্থানান্তর ও নিয়মবহির্ভূত কাজের অভিযোগ পেয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, দীপক নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা নিয়ে কাজ না করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দীপক চন্দ্র দাস নামে এক লাইনম্যান গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিদ্যুতের মিটার পরিবর্তন ও সংযোগ স্থানান্তরের অভিযোগ পেয়েছেন
  • 📌 অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, দীপক তাঁদের কাছ থেকে ২ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন
  • 📌 অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করায় গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং টাকা ফেরত পাচ্ছেন না
  • 📌 রতন মিয়া নামে এক অভিযোগকারী আরইবির চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন
  • 📌 মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম এমদাদুল হক অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের লাইনম্যান দীপক চন্দ্র দাস গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিদ্যুতের মিটার পরিবর্তন, সংযোগ স্থানান্তর ও নিয়মবহির্ভূত কাজের অভিযোগ পেয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, দীপক নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা নিয়ে কাজ না করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন রতন মিয়া, প্রিয়া আক্তার ও উজ্জ্বল মিয়া। তাঁরা জানিয়েছেন, দীপক তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ২ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন।

রতন মিয়া নামে এক অভিযোগকারী জানিয়েছেন, গত ৩ জুন ঝড়ে তাঁর বসতঘরের বৈদ্যুতিক মিটারটি নষ্ট হয়ে যায়। পরদিন তিনি মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসে গেলে লাইনম্যান দীপক চন্দ্র দাস তাঁকে পাশের একটি চায়ের দোকানে নিয়ে যান। সেখানে আবেদন ও ক্ষতিপূরণের কথা বলে রতনের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নেন এবং দ্রুত নতুন মিটার লাগিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু বেশ কিছুদিন পার হলেও মিটার পরিবর্তন করে দেওয়া হয়নি। একাধিকবার তাগাদা দিয়ে সাড়া না পেয়ে তিনি জোনাল অফিসে গিয়ে দীপককে খুঁজতে থাকেন। সেখানে গিয়ে আরও কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। জানতে পারেন তাঁদের কাছ থেকেও একইভাবে মিটার দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন দীপক।

প্রিয়া আক্তার নামে আরেক অভিযোগকারী জানিয়েছেন, গত জুনে ঝড়ে তাঁদের পাঁচটি মিটার নষ্ট হয়। এরপর লাইনম্যান দীপক প্রতিটি মিটারের জন্য ১৫০০ টাকা করে সাড়ে ৭ হাজার টাকা নেন। কিন্তু পরে মিটার লাগিয়ে দেননি। অফিসে যোগাযোগ করার পর মিটার লাগানো হলেও দীপক সেই টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ তাঁর। অন্যদিকে উজ্জ্বল মিয়া অভিযোগ করেছেন, তাঁর ফিসারিতে বিদ্যুতের লোড ঠিকমতো পাচ্ছিল না। পরে লাইনম্যান দীপক চন্দ্র দাস টাকার বিনিময়ে সংযোগ এক খুঁটি থেকে অন্য খুঁটিতে স্থানান্তর করে দেন। উজ্জ্বল মিয়া বলেন, ‘লোড ঠিকমতো না পাওয়ায় দীপক সেকশন পরিবর্তন করে অন্য খুঁটি থেকে সংযোগ দেন। এ কাজের জন্য তাঁকে ১২-১৪ হাজার টাকা দিয়েছি।’

‘আমি গরিব মানুষ, ঋণ করে টাকাটা দিয়েছি। অনেকবার চেয়েও ফেরত পাচ্ছি না। তাই প্রতিকার চেয়ে আরইবির চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ করেছি।’ — রতন মিয়া

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লাইনম্যান দীপক চন্দ্র দাস বলেন, ‘রতনের অভিযোগ মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে বৈঠকে বসা হচ্ছে। আর বাকি কোনো বিষয়ে আমি কথা বলব না।’ মোহনগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি জানা নেই। আমার কাছে কোনো গ্রাহক সমস্যা নিয়ে আসলে দ্রুত সেবা দেওয়া জন্য চেষ্টা করি। অভিযোগের বিষয়গুলো খোঁজ নিয়ে দেখব।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দীপক চন্দ্র দাস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার, ১২-১৪ হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖