📌 দ্বিতীয় যমুনা ও পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। সমীক্ষা শেষ হবে ৮ থেকে ৯ মাসে, যেখানে সেতুর স্থান নির্বাচন ও নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) দ্বিতীয় যমুনা ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সমীক্ষার জন্য প্রাথমিকভাবে ১২ মাস নির্ধারণ করা হলেও তা ৮ থেকে ৯ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দ্বিতীয় যমুনা সেতুর জন্য বর্তমান যমুনা সেতুর আশপাশে একাধিক রুট বিবেচনা করা হচ্ছে, যার মধ্যে বালাসী ঘাট এলাকাও রয়েছে
- 📌 দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান হিসেবে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের এলাকা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে
- 📌 সমীক্ষায় যমুনা ও পদ্মা নদীর ওপর দ্বিতীয় যমুনা ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য সম্ভাব্য স্থান ও অ্যালাইনমেন্ট চিহ্নিত করা হবে
- 📌 সমীক্ষার কাজে নেপালের ইআরএমসি, সুইডেনের সুইরোড, দক্ষিণ কোরিয়ার দাসান কনসালট্যান্টস, বাংলাদেশের দেশ উপদেশ লিমিটেড ও সার্ম অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড যৌথভাবে অংশগ্রহণ করবে
📰 বিস্তারিত
আজ বুধবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে ‘কনসালটেন্সি সার্ভিসেস ফর ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর কনস্ট্রাকশন অব ২য় যমুনা অ্যান্ড ২য় পদ্মা ব্রিজ’ শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সার্ম অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মিয়া মোহাম্মদ কাইয়ুম স্বাক্ষর করেন।
সমীক্ষায় দ্বিতীয় যমুনা ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য সম্ভাব্য স্থান ও অ্যালাইনমেন্ট চিহ্নিত করা হবে। একই সঙ্গে সেতুর কারিগরি ও কাঠামোগত নকশার বিকল্প, নির্মাণের অর্থনৈতিক ও আর্থিক সম্ভাব্যতা এবং পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব পর্যালোচনা করা হবে। এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সেতু নির্মাণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বিকল্পের সুপারিশ করবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।
সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে দ্বিতীয় যমুনা ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন দুটি সেতু নির্মাণ করা গেলে বিদ্যমান সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে এবং পণ্য ও যাত্রী পরিবহন আরও সহজ হবে।
"দেশের উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে নতুন সেতু নির্মাণের মাধ্যমে। পাশাপাশি বিদ্যমান সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আবদুর রউফ (সেতু বিভাগের সচিব), মো. আবুল হোসেন (প্রধান প্রকৌশলী), মিয়া মোহাম্মদ কাইয়ুম (পরামর্শক প্রতিষ্ঠান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মাস (প্রাথমিক সময়), ৮ থেকে ৯ মাস (নির্দেশিত সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!