📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষা চেয়ে হাইকোর্টে রিট, রোববার শুনানি স্থগিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষা চেয়ে হাইকোর্টে রিট, রোববার শুনানি স্থগিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে দায়ের করা রিটের শুনানি আগামী রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। ১৯৯৬ সালের দায়মুক্তি আইনের প্রেক্ষাপটে এই রিট করা হয়

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষা প্রদানের দাবিতে দায়ের করা রিটের শুনানি আগামী রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থান যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষা চেয়ে রিট দাখিল করেন মোহাম্মদ নূরুল হুদা ডিউক
  • 📌 ২০২৬ সালে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন’ পাস হলেও তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি
  • 📌 রিটের শুনানি স্থগিত করা হয়েছে আগামী রোববার পর্যন্ত
  • 📌 রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির

📰 বিস্তারিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে ২০২৬ সালে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন’ প্রণয়ন করা হয়। তবে এই আইনটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে ৩০ আগস্ট রিটটি দাখিল করেন মোহাম্মদ নূরুল হুদা ডিউক, যিনি মেজর (অব.) বজলুল হুদার ভাই।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী। আইনজীবী শাহরিয়ার কবির জানান, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবার নিহত হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে দায়মুক্তি আইন বাতিল করে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৮ সালের ২ এপ্রিল আপিল বিভাগের রায়ে ১৯৭৫ সালের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল এবং ১৯৯৬ সালের দায়মুক্তি আইন বৈধ ঘোষণা করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান যোদ্ধাদের সুরক্ষা প্রদানের জন্য প্রণীত আইনটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় তা নিয়ে নতুন করে রিট দাখিল করা হয়েছে।

"জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে কেবল আইনের মাধ্যমে। সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুসারে দায়মুক্তি আইনের মাধ্যমে নয়; বরং সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমেই তা সম্ভব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাইকোর্ট, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নূরুল হুদা ডিউক, এ এস এম শাহরিয়ার কবির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট, ১৫ আগস্ট, ২ এপ্রিল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖