📌 জামালপুরে রাজিব পরিবহনের বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে বুধবার রাত থেকে ঢাকা-জামালপুর রুটে সব বাস চলাচল স্থগিত করেছে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন। এতে সাধারণ যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন
জামালপুরে রাজিব পরিবহনের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদের মুখে বুধবার রাত থেকে ঢাকা-জামালপুর রুটে সব ধরনের বাস চলাচল স্থগিত ঘোষণা করেছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন। এ ঘটনায় সাধারণ যাত্রীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ আগস্ট রাতে জামালপুর সদর উপজেলার লাহেরীকান্দা এলাকায় রাজিব পরিবহনের বাসের সঙ্গে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত হন।
- 📌 ঘটনাস্থলে অন্তত ১৬ জন আহত হন।
- 📌 রাজিব পরিবহনের বেপরোয়া চালনার কারণে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকায় রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিল ও বাস চলাচল বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
📰 বিস্তারিত
জামালপুর সদর উপজেলার লাহেরীকান্দা এলাকায় গত ৩১ আগস্ট রাতে রাজিব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। এছাড়া অন্তত ১৬ জন আহত হন বলে জানা যায়। রাজিব পরিবহনের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে প্রায় সময়ই এ রুটে দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বারবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে স্থানীয়রা বুধবার বিকালে নান্দিনা এলাকায় রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিল ও বাস চলাচল বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।
বিক্ষোভকারীরা ঢাকা ও জামালপুরগামী রাজিব পরিবহনের দুটি বাস থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেন। পরে নান্দিনা পূর্ববাজার খেলার মাঠে নিয়ে বাস দুটি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর রাজিব পরিবহনের শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে জামালপুর বাস পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন বুধবার রাত থেকে ঢাকা-জামালপুর রুটে সব বাস চলাচল স্থগিত ঘোষণা করে।
"রাজিব পরিবহনের বেপরোয়া চালনার কারণে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রশাসনকে বারবার অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে স্থানীয়রা বিক্ষোভে নামেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর সদর উপজেলা, লাহেরীকান্দা ও নান্দিনা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাখাওয়াত হোসেন শুভ (জামালপুর বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, ১৬ জন আহত, ২ সেপ্টেম্বর থেকে স্থগিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!