📌 ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দুটি সার্ভিস সেতু উদ্বোধন করা হয়েছে। যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হওয়ায় উত্তরবঙ্গসহ ৩০ জেলার চার কোটি মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অধীনে নির্মিত দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টায় ফিতা কেটে এসব সেতুর উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। উদ্বোধনের পরপরই যানবাহন চলাচল শুরু হয়। দুই লেনবিশিষ্ট এসব সেতুতে কোনো টোল দিতে হবে না এবং সব ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উদ্বোধন করা হয়েছে দুটি সার্ভিস সেতু, যার দৈর্ঘ্য ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার
- 📌 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান ও সংসদ সদস্যরা
- 📌 প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ
- 📌 প্রকল্পটির মাধ্যমে রাজধানী থেকে দ্রুত বাইরে যাওয়া ও প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে
- 📌 উত্তরবঙ্গসহ ৩০ জেলার প্রায় চার কোটি মানুষের যাতায়াত সহজ হবে
📰 বিস্তারিত
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অধীনে নির্মিত দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এসব সেতুর দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, একসময় প্রকল্পটির কাজ স্থবির হয়ে পড়েছিল। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটির গুরুত্ব বিবেচনা করে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রকল্পের মেয়াদ ও পরিধি সংশোধন করে কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, পুরো কাজ শেষ হলে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া, বাইপাইল এবং ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। এতে রাজধানী থেকে দ্রুত বাইরে যাওয়া ও ঢাকায় প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গসহ ৩০টি জেলার প্রায় চার কোটি মানুষ এ এক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা পাবেন।
প্রকল্পটির প্রধান ভৌত উপাদানের মধ্যে রয়েছে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ১০ দশমিক ৮৩৪ কিলোমিটার র্যাম্প, ১৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক, ৪ দশমিক শূন্য ৫ কিলোমিটার বাইপাইল ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ এবং মোট ৭ দশমিক ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সেতু। প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে।
"একসময় প্রকল্পটির কাজ স্থবির হয়ে পড়েছিল। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটির গুরুত্ব বিবেচনা করে কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার (সেতুর দৈর্ঘ্য), ৬৬ শতাংশ (ভৌত অগ্রগতি), ৫৬ শতাংশ (আর্থিক অগ্রগতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!