📌 মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকা ও চট্টগ্রামের অংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে মেঘনা ঘাট-হরিপুর সঞ্চালন লাইনের নিকটবর্তী আকাশমণি গাছের সন্দেহে সার্কিট বন্ধ হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়। পাওয়ার গ্রিডের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিপর্যয়ের কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবে তদন্ত কমিটি ৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। এই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে মেঘনা ঘাট-হরিপুর সঞ্চালন লাইনে অবস্থিত আকাশমণি গাছের সন্দেহ উঠেছে। পাওয়ার গ্রিডের কর্মকর্তারা জানান, এই ঘটনার ফলে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। তবে বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার পূর্বাঞ্চল (ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, মতিঝিল, মগবাজার, বনশ্রী, খিলগাঁও, বাংলামোটর) ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে।
- 📌 মেঘনা ঘাট-হরিপুর সঞ্চালন লাইনের নিকটবর্তী আকাশমণি গাছের ডালের কারণে হাইভোল্টেজ লাইনে ‘ফ্লাশ ওভার’ ঘটে সন্দেহে সার্কিট বন্ধ হয়ে যায়।
- 📌 বিপর্যয়ের সময় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি, কিন্তু সরবরাহ কমে যায় ১০ হাজার মেগাওয়াটে।
- 📌 দুপুর ১২টায় বিপর্যয়ের পর রাত ২টার সময়ও ২ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে।
- 📌 পাওয়ার গ্রিডের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিপর্যয়ের কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবে তদন্ত কমিটি ৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। এই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে মেঘনা ঘাট-হরিপুর সঞ্চালন লাইনে অবস্থিত আকাশমণি গাছের সন্দেহ উঠেছে। পাওয়ার গ্রিডের কর্মকর্তারা জানান, এই ঘটনার ফলে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। তবে বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি।
পাওয়ার গ্রিডের কর্মকর্তারা বলেছেন, মেঘনা ঘাট-হরিপুর লাইনের নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থিত আকাশমণি গাছের ডালের কারণে হাইভোল্টেজ লাইনে ‘ফ্লাশ ওভার’ ঘটে সন্দেহে সার্কিট বন্ধ হয়ে যায়। এই লাইনে দুটি সার্কিটের মাধ্যমে ৪০০ মেগাওয়াটের সক্ষমতা ছিল। বিপর্যয়ের আগে দুটি লাইনে ১৫০ মেগাওয়াট করে সরবরাহ হচ্ছিল। একটি সার্কিট বন্ধের পর অন্যটিতে ৩০০ মেগাওয়াট লোড চলে যায়। সক্ষমতার বাড়তি চাপে ওই লাইনও বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হতে থাকে।
বিপর্যয়ের সময় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি, কিন্তু সরবরাহ কমে যায় ১০ হাজার মেগাওয়াটে। দুপুর ১২টায় বিপর্যয়ের পর রাত ২টার সময়ও ২ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে। পাওয়ার গ্রিডের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিপর্যয়ের কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবে তদন্ত কমিটি ৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য।
"গ্রিড বিপর্যয়ের পর সুরক্ষা সিস্টেম কাজ করেছে, তাই বিপর্যয় বড় হয়নি। তবে একসঙ্গে একাধিক ঘটনা ঘটায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ধরে রাখা যায়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার পূর্বাঞ্চল (ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, মতিঝিল, মগবাজার, বনশ্রী, খিলগাঁও, বাংলামোটর) ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাওয়ার গ্রিডের কর্মকর্তারা, তদন্ত কমিটির প্রধান সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ ঘণ্টা (বিদ্যুৎ বন্ধ), ১৫ হাজার মেগাওয়াট (চাহিদা), ১০ হাজার মেগাওয়াট (সরবরাহ), ২ হাজার মেগাওয়াট (লোডশেডিং), ২০০ মেগাওয়াট (সক্ষমতা প্রতি সার্কিট), ৪০০ মেগাওয়াট (মোট সক্ষমতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!