📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে পতাকা উত্তোলন ও ছুটি ঘোষণা: সরকারের নির্দেশ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে পতাকা উত্তোলন ও ছুটি ঘোষণা: সরকারের নির্দেশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এছাড়াও এই দিবসটি সাধারণ ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দিবসটি বিএনপি কর্তৃক পালিত হয়, যেখানে ১৯৭৫ সালে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আসার ঘটনাকে স্মরণ করা হয়

৭ নভেম্বর বাংলাদেশে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ জারি করেছে বর্তমান সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই বিশেষ দিবস উপলক্ষে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে পতাকা উত্তোলন করা হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের জন্য সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ জারি করেছে সরকার।
  • 📌 এই দিবসটি সাধারণ ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ৫ অক্টোবর মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়।
  • 📌 দিবসটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তালিকায় রাখা হয়েছে।
  • 📌 ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থানে মুক্তি পেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।
  • 📌 বিএনপি কর্তৃক এই দিবসটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।

📰 বিস্তারিত

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই দিবসটি প্রতি বছর ৭ নভেম্বর পালিত হবে। এই দিবসের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য যে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এর আগে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করা হয়েছিল। এই ঘটনাকে বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই দিবসটি জাতীয় দিবসের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে, পূর্বে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই দিবসটি জাতীয় দিবসের তালিকায় ছিল না। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের তালিকায়ও এই দিবসটি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

৭ নভেম্বর এই দিবসটি উদযাপনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি, এই দিবসটি সাধারণ ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

"জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করতে গত ৫ অক্টোবর সিদ্ধান্ত দেয় মন্ত্রিসভা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের সকল সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশাররফ, কর্নেল তাহের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর, ৫ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖