📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’: ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানবে মঙ্গলবার, বাংলাদেশে সতর্কতা জারি

ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’: ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানবে মঙ্গলবার, বাংলাদেশে সতর্কতা জারি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডেইলি বাংলাদেশ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানবে মঙ্গলবার ভোরে। ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল হয়ে উঠতে পারে, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানবে আগামী মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরের দিকে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে, যেখানে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার হতে পারে এবং দমকা হাওয়ায় তা ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। আঘাত হানবে নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী এলাকায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মঙ্গলবার ভোরে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’।
  • 📌 বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার, দমকা হাওয়ায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
  • 📌 চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়।
  • 📌 বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে।
  • 📌 রোববার সকালে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র চেন্নাই থেকে ৫৬০ কিলোমিটার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

📰 বিস্তারিত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ রোববার (১ নভেম্বর) সকালে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি সোমবারের মধ্যে আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করার পূর্বাভাস রয়েছে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রোববার দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ ভারতের দিকে থাকলেও আবহাওয়ার পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই সমুদ্রগামী নৌযান, জেলে ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

"ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আঘাত হানবে নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী এলাকায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বঙ্গোপসাগর, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল (নেল্লোর-নারসাপুর), বাংলাদেশের উপকূল (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা, পায়রা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর, বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ নভেম্বর (মঙ্গলবার), ১০০-১২০ কিলোমিটার (বাতাসের গতিবেগ), ১ হাজার ২৪৫-১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার (দূরত্ব)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖