📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় দুই সাংবাদিককে মারধর ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় দুই সাংবাদিককে মারধর ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে তেঁতুলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. খায়রুজ্জামান (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি তেঁতুলবাড়ী ইউনিয়নের মৃত ছহির আলীর ছেলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাংনী উপজেলায় দুই সাংবাদিক মারধরের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
- 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তি মো. খায়রুজ্জামান (৫০), মৃত ছহির আলীর ছেলে
- 📌 ঘটনার অভিযোগে মামলা করেছেন সাংবাদিক রাব্বি আহমেদ
- 📌 ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা চলাকালে দুই সাংবাদিককে মারধর ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে তেঁতুলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. খায়রুজ্জামানকে আটক করা হয়। তিনি তেঁতুলবাড়ী ইউনিয়নের মৃত ছহির আলীর ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের বই খুলে পরীক্ষা দেওয়ার দৃশ্য ধারণ করতে যান দুই সাংবাদিক। তাঁরা হলেন নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ ও দৈনিক খবরের কাগজের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি তারিক হোসেন।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীরা বই খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন—এমন দৃশ্য ধারণের সময় কয়েকজন তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে তাঁদের দুটি মোবাইল ফোন ও নাগরিক টেলিভিশনের বুম মাইক্রোফোন নিয়ে তাঁদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে তাঁরা গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে সাংবাদিক রাব্বি আহমেদ বাদী হয়ে কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের দুই শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব ও মো. রফিকুজ্জামান বাবর আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা করার পর জড়িতদের শনাক্ত ও আটকে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার রাতে তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা থেকে খায়রুজ্জামান ওরফে আকামতকে আটক করা হয়।
‘মামলায় অজ্ঞাতনামা একজনকে রাতে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। তদন্তে ঘটনায় কার কী ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাংনী উপজেলা, মেহেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. খায়রুজ্জামান (৫০), রাব্বি আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ থেকে ১০ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!