📌 ২১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম একসাথে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা লিটারে বিক্রি হবে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেছে, কিন্তু দেশে তা পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম একসাথে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে দেশে ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা লিটারে নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এই নতুন দামের ঘোষণা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম একসাথে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
- 📌 ডিজেলের দাম বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা (পূর্বে ১১৫ টাকা), কেরোসিন ১৫৫ টাকা (পূর্বে ১৩৫ টাকা), পেট্রোল ১৬০ টাকা (পূর্বে ১৪০ টাকা) এবং অকটেন ১৬৫ টাকা (পূর্বে ১৪৫ টাকা) লিটারে বিক্রি হবে।
- 📌 মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
- 📌 বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান করেছে।
- 📌 বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে ডিজেলের প্রতি লিটারে বিপিসির লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা।
- 📌 লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ালে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। তবে জনস্বার্থে দেশে তা পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি। ফলে বিপিসির ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিজেলের প্রতি লিটারে বিপিসির লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতে পারে। তবে লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ালে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে সরকারের উদ্দেশ্য ছিল জনস্বার্থ রক্ষা এবং বিপিসির অর্থনৈতিক ক্ষতির কিছুটা হ্রাস করা।
"মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে দেশে তা পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ টাকা (দাম বাড়ানো), ১৩৫ টাকা (ডিজেল), ১৫৫ টাকা (কেরোসিন), ১৬০ টাকা (পেট্রোল), ১৬৫ টাকা (অকটেন), ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা (বিপিসির লোকসান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!