📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রামপালের দ্বিতীয় ইউনিট ৮ দিনের বন্ধের পর পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু, ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট সরবরাহে যাচ্ছে জাতীয় গ্রিড

রামপালের দ্বিতীয় ইউনিট ৮ দিনের বন্ধের পর পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু, ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট সরবরাহে যাচ্ছে জাতীয় গ্রিড

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট টানা ৮ দিনের বন্ধের পর ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় পুনরায় চালু হয়েছে। আনোয়ারুল আজিমের তথ্য অনুযায়ী, ইউনিটটি থেকে প্রাথমিকভাবে ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়েছিল ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ১১:৩০টায়

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট টানা ৮ দিনের বন্ধের পর রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। বাগেরহাটের রাজনগর-গৌরম্ভা এলাকায় অবস্থিত এই কেন্দ্রের মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিমের তথ্য অনুযায়ী, ইউনিটটি থেকে প্রাথমিকভাবে ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। কেন্দ্রটি এখন থেকে চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে বলে জানানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ৮ দিনের বন্ধের পর ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় পুনরায় চালু হয়েছে
  • 📌 ইউনিটটি থেকে প্রাথমিকভাবে ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে
  • 📌 ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ১১:৩০টায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়েছিল
  • 📌 বর্তমানে কেন্দ্রের ২টি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে
  • 📌 কেন্দ্রে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে

📰 বিস্তারিত

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকায় কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সবসময় চেষ্টা করি রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কোনো ইউনিটের সাময়িক বন্ধ হওয়া স্বাভাবিক। ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর দ্রুত তা সমাধানের চেষ্টা করা হয়।”

১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ১১:৩০টায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে কেন্দ্রটির দৈনিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে। রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষে ২০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। আনোয়ারুল আজিম আরও জানান, বর্তমানে কেন্দ্রটির ২টি ইউনিটেই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চলছে এবং কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ কয়লাও মজুত রয়েছে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২০১০ সালে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) এর মধ্যে চুক্তি সই হয়। প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই কেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। প্রথম ইউনিট ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর উৎপাদনে যাওয়ার পর ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছিল।

"যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমরা সবসময় চেষ্টা করি রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাগেরহাট, রাজনগর-গৌরম্ভা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ারুল আজিম (মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬৮.৭৫ মেগাওয়াট (প্রাথমিক উৎপাদন), ৮ দিন (বন্ধ), ১৬ হাজার কোটি টাকা (নির্মাণ ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖