📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিউ ইয়র্কে আলোচনা শুরু করেছে। এআই নিয়ন্ত্রণ, খনিজ সম্পদ ও বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা চলছে ট্রাম্প-শি জিনপিং শীর্ষ সম্মেলনের আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিউ ইয়র্ক সিটির জেপিএমর্গান চেজ হেডকোয়ার্টারসে আলোচনা শুরু করেছে। এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো ট্রাম্প-শি জিনপিং শীর্ষ সম্মেলনের আগে বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের বিষয়ে সম্ভাব্য চুক্তি নিশ্চিত করা। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেং এবং মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমসন গ্রিয়ার এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিউ ইয়র্কে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ও চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেংের নেতৃত্বে শীর্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে ট্রাম্প-শি জিনপিং শীর্ষ সম্মেলনের আগে।
- 📌 বাণিজ্য চুক্তি ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার আগে মার্কিন-চীনা বাণিজ্য চুক্তির পুনর্নবীকরণ এবং চীনের ২০ শতাংশ মার্কিন করের সীমাবদ্ধতা নিশ্চিতকরণ আলোচনার মূল বিষয়।
- 📌 এআই নিয়ন্ত্রণ এবং ক্রিটিক্যাল মিনারেলস (রার-আর্থ ম্যাগনেটস) চীনের সরবরাহের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রতি চাপ সৃষ্টি করেছে।
- 📌 চীনা কর্মকর্তারা পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী খনিজ সম্পদের সরবরাহ পুনরায় শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চীনের এই কার্যক্রম “আপটু পার” নয়।
- 📌 এআই “গার্ডরেলস” এবং উভয় দেশের মডেলের মধ্যে বিভাজন রোধের বিষয়ে আলোচনা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এআই ক্ষেত্রে বিশ্বের নেতা বলে দাবি করেছে।
- 📌 ইরানের বিষয়ে চীন ইরানের প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
- 📌 আলোচনার আশা কম, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন শীর্ষ সম্মেলনের আগে কিছু “ডেলিভারেবল” দেখানো হবে, কিন্তু কোনো বড় চুক্তি আশা করা যাবে না।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, তিনি আশা করেন এই আলোচনা “ফোকাসড, ফুলসোম এবং কনস্ট্রাকটিভ” হবে এবং এটি ট্রাম্প-শি জিনপিং শীর্ষ সম্মেলনের জন্য মঞ্চ তৈরি করবে। বর্তমানে মার্কিন-চীনা বাণিজ্য চুক্তির মূল বিষয় হলো ২০ শতাংশ মার্কিন করের সীমাবদ্ধতা, যা পূর্বে বাণিজ্য যুদ্ধের সময় ত্রিপল ডিজিট পর্যন্ত উঠেছিল।
চীনের খনিজ সম্পদ সরবরাহের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই খনিজ সম্পদ, বিশেষত রার-আর্থ ম্যাগনেটস, গাড়ি থেকে অ্যাডভান্সড সেমিকন্ডাক্টর পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীনের এই সরবরাহের বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চীনের কার্যক্রম “আপটু পার” নয়।
এআই নিয়ন্ত্রণও আলোচনার একটি প্রধান বিষয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাথে “গার্ডরেলস” বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে চায়, যাতে শক্তিশালী এআই মডেল মালিকানায় না পড়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এআই ক্ষেত্রে বিশ্বের নেতা বলে দাবি করেছে এবং উভয় দেশের মডেলের মধ্যে বিভাজন রোধের বিষয়ে আলোচনা চলছে।
ইরানের বিষয়ে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে, কারণ চীন ইরানের প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোচনার আশা কম। তারা মনে করেন শীর্ষ সম্মেলনের আগে কিছু “ডেলিভারেবল” দেখানো হবে, কিন্তু কোনো বড় চুক্তি আশা করা যাবে না। মার্কিন প্রাক্তন ডিপ্লোম্যাট কर्ट ক্যাম্পবেল বলেছেন, বর্তমানে শীর্ষ আলোচনার লক্ষ্য হলো উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করা এবং এই বছর অবধি শান্তি বজায় রাখা।
"আমি আশা করি আজ ফোকাসড, ফুলসোম এবং কনস্ট্রাকটিভ আলোচনা হবে যা আমাদের নেতাদের সম্মেলনের জন্য মঞ্চ তৈরি করবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক সিটি, জেপিএমর্গান চেজ হেডকোয়ার্টারস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেং, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমসন গ্রিয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ শতাংশ (মার্কিন করের সীমাবদ্ধতা), ১০ নভেম্বর (বাণিজ্য চুক্তির শেষ তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!