📌 ঢাকার আশুলিয়া জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানায় কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণে ছয়জন মারা যান। ১৪ জন আহত হন, চারজনকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতদের মধ্যে একজন মানিকগঞ্জের বাসিন্দা
ঢাকার আশুলিয়া জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের এফ অ্যান্ড এফ কারখানায় কাভার্ড ভ্যানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আরও ১৪ জন আহত হন, যার মধ্যে চারজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার আশুলিয়া জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানায় কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণে ছয়জন পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়
- 📌 দুর্ঘটনায় ১৪ জন আহত হন, চারজনকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়
- 📌 রাত ১১টায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা লাশ উদ্ধার করেন, কিন্তু নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি
- 📌 নিহতদের মধ্যে একজন মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার আবুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা, যিনি আশুলিয়ায় পেঁয়াজ-রসূন বিক্রি করতেন
- 📌 শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
📰 বিস্তারিত
রাত ১১টার দিকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ছয়টি কাভার্ড ভ্যান থেকে ছয়জন পোড়া লাশ উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে নিহতদের মধ্যে একজন নজরুলের ছেলে সামিউল ইসলামের বাবা, যিনি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার আবুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি আশুলিয়া শিমুলতলায় থাকতেন এবং ওই কারখানার সামনে পেঁয়াজ-রসূন বিক্রি করতেন।
দুর্ঘটনার পর সামিউল ইসলাম খবর পেয়ে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে গিয়ে তাঁর বাবাকে দেখতে পান। সেখান থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে বাবার অবস্থা এখনও জানা যায়নি। শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
"রাত ১১টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার আশুলিয়া জামগড়া, প্রীতি গ্রুপের এফ অ্যান্ড এফ কারখানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম, সামিউল ইসলাম, নজরুলের বাবা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন পোড়া লাশ, ১৪ জন আহত, ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি, রাত ১১টায় লাশ উদ্ধার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!