📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর ডিগ্রি কলেজে বিএ ও বিএসএস পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠ্যবই দেখে লেখার ঘটনা ভিডিও করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক মারধরের শিকার হন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় প্রেসক্লাব নেতারা
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ ও বিএসএস প্রথম বর্ষের ইংরেজি পরীক্ষা চলাকালে পাঠ্যবই দেখে লেখার ঘটনা ভিডিও করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক মারধরের শিকার হন। পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একাংশ তাঁদের মুঠোফোন ও সম্প্রচার সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। গত শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটে। পরে দুপুরের দিকে তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুই সাংবাদিক মারধরের শিকার হন ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে
- 📌 ঘটনার সময় চলছিল বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লবের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন সাংবাদিকেরা
- 📌 ঘটনার পর দুজন সাংবাদিক প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন
- 📌 গাংনী থানায় মামলা দায়ের করেছেন আহত সাংবাদিক রাব্বি আহমেদ
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার সকালে কাজীপুর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ বেতার ও নাগরিক টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ এবং দৈনিক খবরের কাগজের জেলা প্রতিনিধি তারেক হোসেন। তাঁরা দেখতে পান, কয়েকজন পরীক্ষার্থী শিক্ষকদের সামনেই পাঠ্যবই খুলে উত্তর লিখছেন। বিষয়টি ভিডিও করার সময় কলেজের শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লবসহ দুজন শিক্ষক তাঁদের ওপর হামলা চালান। পরে তাঁদের মুঠোফোন ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।
সাংবাদিক তারেক হোসেন জানান, কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ ও বিএসএস পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পাঠ্যবই দেখে লেখার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। তাই তিনি বিষয়টি ভিডিও করতে গেলে তাঁদের মারধর করা হয়। তবে তাঁরা কোনো চাঁদা দাবি করেননি বলে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব দাবি করেন, দুই সাংবাদিক তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। অর্থ না দেওয়ায় তাঁরা কলেজ সম্পর্কে নেতিবাচক সংবাদ প্রচারের হুমকি দিতেন। বিষয়টি আমলে না নেওয়ায় তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। তিনি আরও জানান, তাঁরা কাউকে মারধর করেননি।
"পরীক্ষায় নকলের খবর পেয়েই আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক হোসেন জানান, জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অধিদপ্তর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ছিনিয়ে নেওয়া সরঞ্জাম উদ্ধারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাজীপুর ডিগ্রি কলেজ, গাংনী, মেহেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাব্বি আহমেদ, তারেক হোসেন, মনিরুজ্জামান বিপ্লব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুইজন সাংবাদিক মারধরের শিকার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!