📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুই দশকের অপেক্ষা শেষে গাজীপুরের অন্ধের টেকে এল বিদ্যুৎ, বাকিদের জন্য অপেক্ষা এখনও শেষ হয়নি

দুই দশকের অপেক্ষা শেষে গাজীপুরের অন্ধের টেকে এল বিদ্যুৎ, বাকিদের জন্য অপেক্ষা এখনও শেষ হয়নি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈরের অন্ধের টেকে দুই যুগ পর বিদ্যুতের আলো জ্বলতে শুরু করেছে। তবে এখনো ৪৪টি পরিবারের ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকার দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎহীন জনপদ ‘অন্ধের টেক’-এ অবশেষে বিদ্যুতের আলো জ্বলতে শুরু করেছে। সম্প্রতি সেখানে প্রথম একটি ঘরে বিদ্যুতের মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে বাকি ৪৪টি পরিবারের ঘরে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুই যুগ ধরে বিদ্যুৎহীন থাকা অন্ধের টেক এলাকায় প্রথম ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ৪৫টি পরিবারের মধ্যে ২৭টি ঘরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা বসবাস করেন
  • 📌 বিশুদ্ধ পানির জন্য সেখানে সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন করা হয়েছে
  • 📌 বিদ্যুৎ সংযোগের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা
  • 📌 এলাকাটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রভাবশালীদের চাপে তা থেমে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০০১ সাল থেকে অন্ধের টেক এলাকায় ৪৫টি পরিবার বসবাস করছে। এর মধ্যে ২৭টি ঘরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা থাকেন। অন্য ঘরগুলো তাঁদের সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের। দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা অন্ধকারেই কাটাতে হয়েছে তাঁদের। বিদ্যুৎ সংযোগের দাবিতে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করলেও বছরের পর বছর কোনো সুরাহা হয়নি। এমনকি বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হলেও তা পরে সরিয়ে নেওয়া হয়।

২০২২ সালের ১৬ জুলাই প্রথম আলোয় ‘আঁধারে অন্ধের টেক’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার তিন দিন পর ১৯ জুলাই একই পত্রিকায় ‘অন্ধপাড়ায় কেন অন্ধকার, অবিলম্বে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হোক’ শিরোনামে সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। এরপর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রভাবশালী মহলের চাপে তা থেমে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্ধের টেকের বাসিন্দারা গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূইয়া এবং মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলামের কাছে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করার আবেদন করেন। তাঁদের হস্তক্ষেপে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

২০ আগস্ট বাংলাদেশ অন্ধ কল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি সাহাজ উদ্দিনের ছেলে ফারুক হোসেনের ঘরে প্রথম মিটার সংযোগ দেওয়া হয়। এতে এলাকার একটি ঘর বিদ্যুতের আওতায় এলেও বাকি ৪৪টি পরিবার এখনো অপেক্ষায় রয়েছেন।

বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্যোগে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান বলেন, ‘এতগুলো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষ ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এখন বিদ্যুতের আলোয় জীবন যাপন করতে পারবেন।’

বাংলাদেশ অন্ধ কল্যাণ সমিতির সভাপতি কোরবান আলী দ্রুত অন্য পরিবারগুলোতে মিটার সংযোগ দেওয়ার দাবি জানান। তিনি জানান, যে জমিতে তাঁরা বসবাস করছেন, সেটি লিজ নেওয়ার জন্য অন্য একটি পক্ষ আবেদন করেছিল। তবে জেলা প্রশাসন কাউকেই জমিটি লিজ দেয়নি। অন্ধ মানুষগুলোর কথা বিবেচনা করে জমিটি তাঁদের দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূইয়া।

"সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপে বিদ্যুতের মিটার সংযোগের কাজ শুরু হয়েছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য সেখানে একটি সাবমার্সিবল পাম্পও স্থাপন করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মৌচাক, কালিয়াকৈর, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারুক হোসেন, মজিবুর রহমান, আরিফুল ইসলাম, নূরুল করিম ভূইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪টি (পরিবার), ৪৫টি (পরিবার), ২৭টি (ঘর), ২০০১ সাল থেকে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖