📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝালমুড়ির ব্যবসায় স্বাবলম্বী তরুণ উদ্যোক্তা: মাসে আয় এক লাখ টাকা

ঝালমুড়ির ব্যবসায় স্বাবলম্বী তরুণ উদ্যোক্তা: মাসে আয় এক লাখ টাকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এইচএসসি পাস করার পর ঝালমুড়ির ব্যবসায় নামেন মিরপুরের তরুণ নাজমুল। নিজস্ব রেসিপির মুড়ি মাখা বিক্রি করে মাসে আয় করছেন প্রায় এক লাখ টাকা। কর্মসংস্থানও হয়েছে আরও দুজনের

মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের ব্যস্ত ফুটপাতের নিচে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই মুড়ি মাখার বিশেষ স্বাদের জন্য মানুষের ভিড় জমে। এই ব্যবসার উদ্যোক্তা তরুণ নাজমুল। তিনি প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ প্লেট মুড়ি মাখা বিক্রি করেন। তাঁর দোকানে উপকরণভেদে প্রতি প্লেটের দাম ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০, ৬০ এমনকি ১০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এইচএসসি পাস করার পর ঝালমুড়ির ব্যবসায় নামেন নাজমুল
  • 📌 মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের ফুটপাতে দোকান চালু করেন ২০২৩ সালে
  • 📌 প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ প্লেট মুড়ি মাখা বিক্রি করেন
  • 📌 উপকরণভেদে প্রতি প্লেটের দাম ৩০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত
  • 📌 মাসে আয় প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা
  • 📌 নিজস্ব রেসিপির মসলা ব্যবহারের কারণে মুড়ির স্বাদ আলাদা
  • 📌 ব্যবসার মাধ্যমে আরও দুজনের কর্মসংস্থান হয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালে এইচএসসি পাস করার পর সংসারের হাল ধরতে বরিশাল থেকে ঢাকায় আসেন নাজমুল। চাকরি না করে নিজেই কিছু করার ইচ্ছা থেকে তিনি মেট্রোস্টেশনের নিচে মুড়ি মাখার ব্যবসা শুরু করেন। তাঁর মুড়ির দোকানটি এখন মিরপুরবাসীর আড্ডা ও আনন্দের অংশ হয়ে উঠেছে। নাজমুল জানান, প্রতিদিন তাঁর দোকানে তিন থেকে চার হাজার টাকার মুড়ি বিক্রি হয়। ব্যবসার শুরুতে বিক্রি কম হলেও মান ও স্বাদের কারণে ধীরে ধীরে গ্রাহকদের ভালোবাসা অর্জন করেছেন তিনি।

নাজমুলের মুড়ি মাখায় ব্যবহৃত হয় তাঁর নিজস্ব রেসিপির মসলা। রসুনের আচার, বাদামের বিশেষ আচার, সেদ্ধ ডিম ও সুবাসিত মসলার মিশ্রণে তৈরি এই বিশেষ মসলা মুড়ির স্বাদকে অনন্য করে তুলেছে। তাঁর মতে, যেকোনো ব্যবসার শুরুতে বিক্রি কম হলেও মান ও সেবার মান ভালো থাকলে সাফল্য আসবেই।

বর্তমানে নাজমুলের ব্যবসায় তাঁর সঙ্গে আরও দুজন কর্মী কাজ করছেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ব্যবসার মান ধরে রাখা এবং গ্রাহকদের ভালোবাসা অর্জনের ওপরই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর স্বপ্ন হলো এই দোকানটিকে আরও বড় করে তোলা, যেন স্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানুষের কাছে এই স্ট্রিট ফুড পৌঁছে দেওয়া যায়।

"ব্যবসা ছোট হোক বা বড়, সব ব্যবসা একটা পর্যায়ে যেতে বা দাঁড়াতে সময় লাগে। আর কোনো ব্যবসারই বিক্রিটা ধরাবাঁধা থাকে না। কোনো কোনো দিন বিক্রি ছয় হাজার টাকা হয়, আবার কখনো একটু কমে যায়। প্রান্তিক অবস্থান থেকে নিজের সততা ও পরিশ্রমে কীভাবে আত্মনির্ভরশীল হওয়া যায়, তা আমি নিজেই উদাহরণ।" — নাজমুল

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর ১১ নম্বর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাসিক আয় এক থেকে দেড় লাখ টাকা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতিদিন বিক্রি ৫০ থেকে ৬০ প্লেট মুড়ি মাখা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖