📌 রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর কৃষি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সেশন ফি থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর কৃষি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে নিয়মনীতি না মেনে অন্তত আটজন আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ দেওয়া, জমি বিক্রি, বিভিন্ন খাতের অর্থ নয়ছয় এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা ফি আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউসুফপুর কৃষি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
- 📌 ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সেশন ফি থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ
- 📌 বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি, বিভিন্ন খাতের অর্থ নয়ছয় এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা ফি আত্মসাতের অভিযোগ
- 📌 অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, ইমদাদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে অন্তত আটজন আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ দিয়েছেন
- 📌 বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. শাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ইমদাদুল ইসলাম অবসরে যাওয়ার আগে হিসাব-নিকাশ ঠিক করেই গেছেন
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর কৃষি উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৮ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে নিয়মনীতি না মেনে অন্তত আটজন আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি, বিভিন্ন খাতের অর্থ নয়ছয় এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা ফি আত্মসাতের মতো ভয়াবহ অভিযোগও উঠেছে।
সাবেক অফিস সহায়ক আব্দুল হালিম অভিযোগ করেছেন, ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত শুধু সেশন ফি থেকেই ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা নয়ছয় করেছেন ইমদাদুল ইসলাম। ভর্তি ফি, কেন্দ্র ফি, সরকারি অনুদান, হাট ডাক, গাছ ও পুরোনো ভবনের মালামাল বিক্রিসহ আরও বিভিন্ন খাতের অর্থ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. শাহাবুদ্দিন দিয়েছেন চমকপ্রদ তথ্য—আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও অবসরে যাওয়ার আগে ইমদাদুল ইসলাম খাতাপত্রে হিসাব-নিকাশ সব ঠিক করেই গেছেন। ফলে তাঁকে পুরস্কৃত করার দাবিও উঠেছে।
"অভিযোগগুলো সত্য কি না, আমরা তা জানি না। কারণ, অভিযোগকারীর বক্তব্য সত্য না-ও হতে পারে। আবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও যেহেতু অভিযুক্ত ব্যক্তি এ ব্যাপারে কোনো সাড়া দেননি, তাই অভিযোগ বাতিলও করে দেওয়া যায় না। ফলে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের হিসাবপত্র, ব্যাংক লেনদেন, ভাউচার, অডিট প্রতিবেদন, নিয়োগসংক্রান্ত নথি এবং জমি বিক্রির দলিল পরীক্ষা করা হলে প্রকৃত চিত্র সহজেই বেরিয়ে আসতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমদাদুল ইসলাম, আব্দুল হালিম, মো. শাহাবুদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!