📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে অবৈধ রিসোর্ট ভেঙে ফেলা, মালিকের ছয় কোটি টাকার ভবন ধ্বংস

কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে অবৈধ রিসোর্ট ভেঙে ফেলা, মালিকের ছয় কোটি টাকার ভবন ধ্বংস

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে অবৈধভাবে নির্মিত একটি ছয় কোটি টাকার চারতলা রিসোর্ট ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে অংশ নেয় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী। মালিক শহিদুল হক দাবি করেন, নোটিশের জবাব দিয়েছেন কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি

কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে অবৈধভাবে নির্মিত একটি চারতলা রিসোর্ট ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ভবনটির নির্মাণ খরচ দাবি করা হয়েছে প্রায় ছয় কোটি টাকা। অভিযানে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, এসআরবি, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার বাহিনী অংশ নিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২৬ কিলোমিটার দূরে ইনানী সৈকতে** অবস্থিত একটি চারতলা রিসোর্ট ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা মালিকের দাবি মতে **৬ কোটি টাকায়** নির্মিত হয়েছিল।
  • 📌 **১৭ অক্টোবর মেরিন ড্রাইভের আগুনে ১০ পর্যটক নিহত** হওয়ার পর অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদের অভিযান শুরু হয়।
  • 📌 **মালিক শহিদুল হক** দাবি করেন, চারটি নোটিশের জবাব দিয়েছেন, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
  • 📌 **৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভে ২০০টিরও বেশি অবৈধ রিসোর্ট** রয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই অনুমোদন ছাড়া নির্মিত।
  • 📌 **প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ) ৫০০ গজের মধ্যে** রিসোর্ট নির্মাণ নিষিদ্ধ, কিন্তু অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছে শতাধিক স্থাপনা।

📰 বিস্তারিত

সোমবার দুপুরে কক্সবাজার শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে ইনানী সৈকত এলাকায় অবস্থিত চারতলা রিসোর্ট ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ভবনটি তারকা হোটেল রয়েল টিউলিপ ও তারকা হোটেল বে ওয়াচের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত ছিল। অভিযানের সময় খননযন্ত্র নিয়ে আসা হয় এবং ভবনের নিচে ও পাশের ১০-১২টি দোকানঘরও ধ্বংস করা হয়। এরপর ভবনের কাচের গ্লাস ভেঙে ফেলা হয় এবং মূল ভবনের পিলার ভাঙার কাজ শুরু হয়।

কউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, মেরিন ড্রাইভের ৮০ কিলোমিটার এলাকায় প্রায় ২০০টি অবৈধ রিসোর্ট রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই কাঠ ও বাঁশ দিয়ে নির্মিত এবং কোনো অনুমোদন ছাড়া। তিনি জানান, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ) সমুদ্রসৈকতের ৫০০ গজের মধ্যে এবং শহর এলাকায় পৌরসভার ৩০০ গজের মধ্যে রিসোর্ট নির্মাণ নিষিদ্ধ।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, কউকের অনুমোদন ছাড়া কোনো রিসোর্ট নির্মাণ করা যাবে না। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান চালানো হচ্ছে।

"চারটি নোটিশেরই জবাব দিয়েছি। ভবন নির্মাণের বিপরীতে কাগজপত্রও আছে, কিন্তু কেউ তা আমলে নিচ্ছে না।"

— **শহিদুল হক**, রিসোর্টের মালিক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: **ইনানী সৈকত, কক্সবাজার** (কক্সবাজার শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: **শহিদুল হক (মালিক), প্রকৌশলী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন (কউক চেয়ারম্যান), মো. আ. মান্নান (জেলা প্রশাসক)**
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: **৬ কোটি টাকা (ভবন নির্মাণ খরচ), ২৬ কিলোমিটার (দূরত্ব), ১০-১২টি (দোকানঘর), ১৭ অক্টোবর (আগুনে ১০ পর্যটক নিহত), ২০০টি (অবৈধ রিসোর্ট), ৫০০ গজ (নিষিদ্ধ এলাকা)**

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖