📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতায় নগ্ন হাঁটানো অভিযুক্তদের অন্তর্বাসে: কিশোরীকে চুমু দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের অদ্ভুত পদক্ষেপ

কলকাতায় নগ্ন হাঁটানো অভিযুক্তদের অন্তর্বাসে: কিশোরীকে চুমু দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের অদ্ভুত পদক্ষেপ

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতায় ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্তদের অন্তর্বাস পরিয়ে রাস্তায় হাঁটানো পুলিশের অদ্ভুত পদক্ষেপের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মামলা করেছে এবং এলাকায় রাজনৈতিক দলগুলো ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছে

কলকাতায় একটি ভয়াবহ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের অদ্ভুত পদক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছে। ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্তদের অন্তর্বাস পরিয়ে রাস্তায় হাঁটানো হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের নগ্ন অবস্থায় ঘোরানো হয়েছিল এবং তাদের কোমরে দড়ি বাঁধা ছিল। পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের দুই পাশে থেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথচারীদের কয়েকজন মোবাইল ফোনে এই দৃশ্য ধারণ করছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতায় ১৩ বছর বয়সি কিশোরীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্তদের অন্তর্বাস পরিয়ে রাস্তায় হাঁটানো পুলিশের পদক্ষেপ
  • 📌 অভিযুক্তদের নগ্ন অবস্থায় ঘোরানো হয়েছিল এবং তাদের কোমরে দড়ি বাঁধা ছিল
  • 📌 অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হত্যাচেষ্টা, স্বেচ্ছায় আঘাত, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, অপরাধমূলক ভয়ভীতি এবং অপহরণের মামলা করেছে
  • 📌 অভিযুক্তদের বাড়িতে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা হামলা চালিয়েছে
  • 📌 তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা সৌগত রায় ঘটনাটিকে ‘একেবারেই ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেছেন
  • 📌 বিজেপি নেতা ডা. ইন্দ্রনীল খান অভিযুক্তদের তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করেছেন

📰 বিস্তারিত

১৩ বছর বয়সি এক কিশোরীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্তদের নগ্ন অবস্থায় ঘোরানো হয়েছিল। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে ছিল কিশোর, তার বাবা এবং এক বন্ধু। পুলিশের সদস্যরা অভিযুক্তদের অন্তর্বাস পরিয়ে রাস্তায় হাঁটিয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মারধর, নগ্ন অবস্থায় ঘোরানো এবং ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলেছে।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রোববার কিশোর তার এক বন্ধুকে নিয়ে কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে যায়। কিশোরীর এক চাচা তাকে চুমু খেতে দেখে বিষয়টি কিশোরীর বাবা ও আরেক চাচাকে জানান। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোর ও তার বন্ধুদের জোর করে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাদের মারধর করা হয় এবং কিশোরকে তার মা-বাবাকে ডেকে আনতে বাধ্য করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তারা কিশোর ও তার মাকে তিনটি বিকল্প দিয়েছিল: পুলিশের মামলা দেওয়া, গুলি করে হত্যা করা, বা নগ্ন হয়ে রাস্তায় ঘুরতে হবে। পরে ওই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।

সোমবার সকালে ক্ষুব্ধ একদল বাসিন্দা অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালান। কিশোরের বাবা অভিযোগ দায়ের করার পর ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) একাধিক ধারায় মামলা করে পুলিশ। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে হত্যাচেষ্টা, স্বেচ্ছায় আঘাত করা, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, অপরাধমূলক ভয়ভীতি দেখানো ও অপহরণ। সোমবার কিশোরীর মা-বাবাসহ তার কয়েকজন স্বজনকে গ্রেফতার করা হয়।

"অপরাধের ঘটনাস্থল পুনর্নির্মাণের জন্য তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।"

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা ও সংসদ সদস্য সৌগত রায় ঘটনাটিকে ‘একেবারেই ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সম্পূর্ণ অবনতি হয়েছে।’ অন্যদিকে, বিজেপি নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ডা. ইন্দ্রনীল খান দাবি করেছেন, অভিযুক্তরা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনের সময় তৃণমূলের এসব কর্মী ভোট কারচুপিতে জড়িত ছিলেন এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে অস্ত্র বহন করতেন। তাদের প্রভাব কমে গেলেও তারা এখনো সেই একই আতঙ্ক সৃষ্টির মানসিকতা আঁকড়ে ধরে আছেন।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিশোর, কিশোরীর বাবা, কিশোরীর মা, সৌগত রায়, ডা. ইন্দ্রনীল খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖