📌 রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে এমআরটি লাইন-১ ও লাইন-৫-এর চারটি নির্মাণ প্যাকেজের চুক্তি সই হয়েছে। জাপানের সহযোগিতায় ডিপো, উড়াল রেলপথ ও স্টেশন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক বলেছেন, নির্মাণে নিরাপত্তা ও সময়সূচী মেনে চলতে হবে
রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে এমআরটি লাইন-১ ও লাইন-৫-এর চারটি নির্মাণ প্যাকেজের চুক্তি সই হয়েছে। এই প্রকল্পে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশ সরকারের সাথে যৌথভাবে অর্থায়ন করছে। চুক্তি অনুযায়ী, উড়াল রেলপথ, স্টেশন ও ডিপো নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমআরটি লাইন-১-এর ৫ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ ও ৩টি স্টেশন নির্মাণের চুক্তি সই হয়েছে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি জেভির সাথে।
- 📌 এমআরটি লাইন-৫-এর ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ ও ৫টি স্টেশন নির্মাণের চুক্তি সই হয়েছে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি জেভির সাথে।
- 📌 এমআরটি লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণের চুক্তি পেয়েছে সিনোহাইড্রো-এসইবিসিএল জেভি। এতে ৪৯টি অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপো নির্মাণের চুক্তি পেয়েছে সিপিসি-হানিল জেভি।
- 📌 সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন, নির্মাণে নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেল ভবনের সম্মেলনকক্ষে এই চুক্তি সই হয়। এমআরটি লাইন-১-এর সিপি-৭ প্যাকেজের আওতায় পাতাল রেল থেকে উড়াল রেলপথে ওঠার স্থান থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া জোয়ার সাহারা, বোয়ালিয়া ও মস্তুল স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫-এর সিপি-৩ প্যাকেজের আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিন বাজার এবং নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এ প্যাকেজে হেমায়েতপুর, বালিয়াপুর, বিলামালিয়া, আমিন বাজার ও ভাটারা স্টেশন নির্মাণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন, ‘রাজধানীর যানজট কমানো ও যাতায়াতের সময় বাঁচানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।’ তিনি নির্মাণকাজে নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা যাবে না বলে জোর দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভোগান্তি দীর্ঘায়িত না হয়।
সচিব জিয়াউল হক প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি প্রকল্প এলাকার পরিবেশগত প্রভাব ও আশপাশে বসবাসকারী মানুষের কল্যাণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
"নির্মাণকাজে নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা যাবে না। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভোগান্তি দীর্ঘায়িত না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, উত্তরার দিয়াবাড়ি (মেট্রোরেল ভবন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক (সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি নির্মাণ প্যাকেজ, ৫ কিলোমিটার ও ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ, ৪৯টি অবকাঠামো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!