📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কুড়িগ্রাম জেলার চার খাদ্য কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করেছে ২ কোটি ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার সরকারি খাদ্যশস্য আত্মসাৎ ও অনিয়মে। মামলায় দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি আইনের ১০টি ধারা জড়িত
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কুড়িগ্রাম জেলার চার খাদ্য কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করেছে ২ কোটি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫২ টাকার সরকারি খাদ্যশস্য আত্মসাৎ ও অনিয়মে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জেলা আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২ কোটি ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার** সরকারি খাদ্যশস্য আত্মসাৎ ও অনিয়মে কুড়িগ্রামের চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
- 📌 **মামলায় অভিযুক্ত** চার কর্মকর্তা: মো. শরীফ আহমেদ (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা), মো. হেলাল উদ্দিন (সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক), মো. হালিমুর রহমান (তৎকালীন খাদ্য নিয়ন্ত্রক), মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হক (বর্তমান ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক)
- 📌 **অভিযোগের ধারা**: দণ্ডবিধি ৪২০, ৪০৯, ১০৯, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) এবং শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১২০(খ)
- 📌 **নথিবহির্ভূত চালের মজুত**: শিশু নিকেতন গুদামে ১১৯ মেট্রিক টন চাল পাওয়া যায়, যার মূল্য প্রায় ৬৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা
- 📌 **মামলা দায়ের**: দুদকের উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরী আদালতে মামলা করেন
📰 বিস্তারিত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মজুতের নথি পর্যালোচনা করে অসংগতি পাওয়া যায়। নথিতে থাকা চালের সঙ্গে বাস্তব মজুতের ঘাটতি, সংগ্রহ করা ধানের হিসাবের অসংগতি এবং বিল পরিশোধের পরও গুদামে খাদ্যশস্য না পাওয়া ঘটনা ঘটেছে।
১১ জানুয়ারি দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট দল কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামের শিশু নিকেতন ও খলিলগঞ্জ গুদামে অভিযান চালায়। অভিযানে চাল ও ধানের মজুত, সংগ্রহ এবং বিল পরিশোধের নানা অসংগতির প্রমাণ পাওয়া যায়। দুদকের হিসাবে, চার কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে প্রায় ২ কোটি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫২ টাকার সরকারি খাদ্যশস্য আত্মসাৎ করেছেন।
মামলার বাদী মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, ‘অভিযানের পর আমরা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছিলাম। সম্প্রতি প্রধান কার্যালয় থেকে মামলা দায়ের করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।’
মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হক, যিনি বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বলেন, ‘মামলার বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছে জানলাম। এ ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’ অন্য তিন আসামির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হক ছাড়া অন্য তিন কর্মকর্তা বদলি হয়ে বিভিন্ন জেলায় কর্মরত আছেন।
"অভিযানের পর আমরা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছিলাম। সম্প্রতি প্রধান কার্যালয় থেকে মামলা দায়ের করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদাম (শিশু নিকেতন ও খলিলগঞ্জ গুদাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান চৌধুরী (দুদক), মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হক, মো. শরীফ আহমেদ, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. হালিমুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫২ টাকা, ১১৯ মেট্রিক টন চাল, ৬৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!