📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাটমোহরে আউশ ধানের আবাদ বাড়ছে তিন ফসলি চাষে, লাভবান কৃষকেরা

চাটমোহরে আউশ ধানের আবাদ বাড়ছে তিন ফসলি চাষে, লাভবান কৃষকেরা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি খরিপ মৌসুমে চাটমোহর উপজেলায় ১ হাজার ৪১৩ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। স্বল্প খরচ ও উচ্চ ফলনের কারণে কৃষকেরা তিন ফসলি চাষে ঝুঁকছেন। কৃষি বিভাগের প্রণোদনায় বাড়ছে আবাদ

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় চলতি খরিপ-১ মৌসুমে বোনা ও রোপা মিলিয়ে ১ হাজার ৪১৩ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিস্তৃত এই আবাদে কৃষকেরা বিঘাপ্রতি ১৬ থেকে ১৮ মণ ফলন পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চলতি মৌসুমে চাটমোহরে ১ হাজার ৪১৩ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে
  • 📌 বিঘাপ্রতি ফলন মিলছে ১৬ থেকে ১৮ মণ পর্যন্ত
  • 📌 উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিস্তৃত আউশের আবাদ
  • 📌 স্বল্প খরচ ও উচ্চ ফলনের কারণে কৃষকেরা তিন ফসলি চাষে ঝুঁকছেন

📰 বিস্তারিত

উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বৃগুয়াখড়া গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, রোপা আমন ও রোপা আউশে ফলন প্রায় সমান হলেও আমন ও বোরো চাষে খরচ বেশি হয়। তিনি বলেন, আউশ ধান চাষের পর সরিষা, গম বা অন্যান্য চৈতালি ফসল চাষ করলে লাভ বেশি হয়।

ছাইকোলা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের কৃষক রহমত আলী জানান, আউশ ধান চাষে সেচ খরচ খুব কম এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ধান ঘরে তোলা যায়। তিনি বিঘাপ্রতি ১৬ থেকে ১৮ মণ ফলন পাচ্ছেন বলে জানান।

উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, আউশ ধান স্বল্প জীবনকালীন এবং এর সেচ খরচও কম। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কম হয়। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা এবং উচ্চফলনশীল জাতের বীজ কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ায় উপজেলায় আউশ চাষ বাড়ছে।

"আগে যেসব জমিতে দুটি ফসল হতো, কৃষি বিভাগের পরামর্শে সেখানে স্বল্প জীবনকালের ধান রোপণ করে এখন তিনটি ফসল ফলাচ্ছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাটমোহর উপজেলা, পাবনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম, রহমত আলী, সাইদুর রহমান সাঈদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৪১৩ হেক্টর, বিঘাপ্রতি ১৬-১৮ মণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖