📌 সাভারের আশুলিয়ায় একটি বন্ধ ঘর থেকে নবজাতকসহ তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মৃত্যু হয়েছে কয়েক দিন আগে। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু, তা তদন্ত চলছে
সাভারের আশুলিয়া এলাকায় শনিবার ভোরে একটি বন্ধ ঘর থেকে নবজাতকসহ তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, হযরত আলীর মালিকানাধীন ওই বাসার দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকত। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। গতরাতে ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ঘরের দরজা খুলে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভারের আশুলিয়ায় একটি বন্ধ ঘর থেকে নবজাতকসহ তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
- 📌 মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাস্থল ছিল মধ্য জামগড়া এলাকার একটি বাসা, যার মালিক হযরত আলী।
- 📌 পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, মৃত্যু হয়েছে কয়েক দিন আগে। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু, তা তদন্ত চলছে।
- 📌 আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা দুর্গন্ধের কারণে পুলিশকে খবর দেন।
- 📌 এসআই রাসেল হোসেন বলেন, নিহতদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী এবং নবজাতকও ছিলেন। তাদের ঠিকানা শনাক্তের কাজ চলছে।
📰 বিস্তারিত
সাভারের আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যু হয়েছে কয়েক দিন আগেই। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তিনি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী এবং নবজাতকও ছিলেন। তাদের ঠিকানা শনাক্তের কাজ চলছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ওই বাসার দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকত। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। গতরাতে ওই কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ঘরের দরজা খুলে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিমও উপস্থিত হয় এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
"প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যু হয়েছে কয়েক দিন আগেই। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভারের আশুলিয়া, মধ্য জামগড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসআই রাসেল হোসেন, ওসি তরিকুল ইসলাম, হযরত আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিনজন মরদেহ (স্বামী, স্ত্রী ও নবজাতক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!