📌 নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাঠে সপ্তাহে দুই দিন গরুর হাট বসায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। পশুর মলমূত্রে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে, রোগীদের চিকিৎসা পেতে দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাঠে সপ্তাহে দুই দিন গরুর হাট বসায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, পশুর মলমূত্রে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে এবং রোগীদের চিকিৎসা পেতে দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুছাপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাঠে শুক্র ও সোমবার গরুর হাট বসায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে
- 📌 পশুর মলমূত্রে চারপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে
- 📌 স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল অফিসার নেই, পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা ও আয়ারের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, নিয়মিত চিকিৎসক না থাকায় সেবা পাওয়ার জন্য দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেছেন, ইজারা দেওয়া জায়গার বাইরে হাট বসলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের মাঠে সপ্তাহে দুই দিন গরুর হাট বসায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাঠে গরুর হাট বসায় পশুর মলমূত্রে চারপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবনের জানালার গ্রিলেও বাঁধা রয়েছে গরু। পাশে বসে হাটের ইজারার টাকা তুলছেন ইজারাদারের লোকজন।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অস্থায়ী ভিজিটর মেহেনিকা বলেন, ‘হাসপাতালের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে পশুর হাট ও পোলট্রি খামার থাকায় দুর্গন্ধে বসে থাকা কঠিন। বিদ্যুৎও নেই। জরাজীর্ণ ভবনে আমি ও আয়া অবস্থান করি। সীমানাপ্রাচীর না থাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়। অনেক রোগী দুর্গন্ধে আরও অসুস্থতা বোধ করেন। আমিও প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ি।’
হাটের ইজারাদার ফারুকের সহকারী কবির বলেন, ‘শুক্রবার বন্ধের দিন এখানে হাট বসে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাউন্ডারি নেই বলে বসি। বাউন্ডারি হলে এমনিতেই সরে যাব।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেছেন, ‘ইজারা দেওয়া জায়গার বাইরে যদি হাট বসানো হয়, সে ক্ষেত্রে ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সপ্তাহে কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। তবে নিয়মিত চিকিৎসক না থাকায় প্রয়োজনের সময় অনেকে সেবা পান না। স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদ প্রধান, মোর্শেদ, লিটন মিয়া, শাওন, সালমা, হাফেজাসহ অনেকের দাবি, এই কেন্দ্র থেকে এলাকার গরিব মানুষ বিনা মূল্যে চিকিৎসা এবং ওষুধ পেতেন। এখন নিয়মিত চিকিৎসক না থাকায় সেবা পাওয়া যায় না।
"দীর্ঘদিন ধরে মুছাপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের মাঠজুড়ে সপ্তাহে দুই দিন পশুর হাট বসানোয় সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। আমরা হাটটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি"
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিনুকা আক্তার বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাঠে পশুর হাট বসায় সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, হাটটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুছাপুর ইউনিয়ন, রায়পুরা, নরসিংদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেনিকা, কবির, মো. মাসুদ রানা, জিনুকা আক্তার, রাশেদ প্রধান, মোর্শেদ, লিটন মিয়া, শাওন, সালমা, হাফেজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ কিলোমিটার (ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়ক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!