📌 সরকার ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে ৭ নভেম্বরকে আনুষ্ঠানিক ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই দিনটিকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে
সরকার ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে ৭ নভেম্বরকে আনুষ্ঠানিক ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর এই দিনটি সারা দেশে সাধারণ ছুটি হিসেবে পালন করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ নভেম্বর থেকে প্রতিবছর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ আনুষ্ঠানিক ছুটি হিসেবে পালন করা হবে
- 📌 জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার
- 📌 মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৫ অক্টোবর এই দিবসটি ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে
- 📌 প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ওয়ালীউল দামান
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৫ অক্টোবর নেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর এই দিনটিকে সারা দেশে সাধারণ ছুটি হিসেবে পালন করা হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৭ নভেম্বরকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই দিনটির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই দিনটি বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালিত হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে প্রতিবছর এই দিনটি আনুষ্ঠানিক ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
"মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সারা দেশে সাধারণ ছুটি পালন করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ওয়ালীউল দামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর, ৫ অক্টোবর, ৬ (বিধি-৬ শাখা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!