📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকগঞ্জের ঘিওরে পলো বাইচে মিলিত হয় শতাধিক মৎস্যশিকারি, ঐতিহ্য জাগ্রত করে আনন্দের উৎসব

মানিকগঞ্জের ঘিওরে পলো বাইচে মিলিত হয় শতাধিক মৎস্যশিকারি, ঐতিহ্য জাগ্রত করে আনন্দের উৎসব

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় পলো দিয়ে মাছ ধরার ঐতিহ্যবাহী উৎসবে শতাধিক মানুষ অংশ নেন। এই অনুষ্ঠানটি গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে বন্ধু-স্বজনদের মিলন এবং মাছ শিকারের আনন্দ মিশে যায়

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ভোরবেলায় পলো দিয়ে মাছ ধরার ঐতিহ্যবাহী উৎসবে শতাধিক শৌখিন মৎস্যশিকারি অংশ নেন। এই আনন্দময় আয়োজনে জলাশয়ে নেমে পড়েন বিভিন্ন বয়সের মানুষ, যারা মাছ শিকারের পাশাপাশি বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হন। গত শুক্রবার ভোরে রাথুরা চক এলাকার জলাশয়ে এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মাছ ধরার পাশাপাশি সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শুক্রবার ভোরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার রাথুরা চক এলাকায় শতাধিক মৎস্যশিকারি পলো দিয়ে মাছ ধরার আয়োজন করে আনন্দের উৎসবের আয়োজন করেন।
  • 📌 উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের তরা, মির্জাপুর ও রাথুরা চকের জলাশয়ে অন্তত ১০০ জন শৌখিন মৎস্যশিকারি অংশ নেন, যেখানে বোয়াল, শোল ও রুই মাছ ধরা পড়ে।
  • 📌 ইছামতী শাখা নদীতেও প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ পথে ৩০০ জনেরও বেশি মৎস্যশিকারি অংশ নেন।
  • 📌 পলো বাইচের ঐতিহ্য ধরে রাখতে জলাশয় ও দেশি মাছ রক্ষার আহ্বান জানান স্থানীয় ও গবেষণা সংস্থার কর্মকর্তারা।
  • 📌 কারেন্ট জাল, পোনা মাছ ধরা ও বিষপ্রয়োগের কারণে দেশি মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, যা ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় পলো দিয়ে মাছ ধরার ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন গত শুক্রবার ভোরে শুরু হয়। রাথুরা চক এলাকার জলাশয়ে নানা বয়সের মানুষ পলো হাতে নেমে পড়েন। কারও পলোতে ধরা পড়ে বোয়াল, শোল বা রুই মাছ, কেউ ফেরেন খালি হাতে। এই অনুষ্ঠানটি শুধু মাছ শিকারের আয়োজন নয়, বরং বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার একটি সুযোগ। উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের তরা, মির্জাপুর ও রাথুরা চকের জলাশয়ে শতাধিক শৌখিন মৎস্যশিকারি অংশ নেন।

এই আয়োজনের বিস্তৃতি পড়ে ইছামতী শাখা নদীতেও। উথুলী ইউনিয়নের বারাদিয়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে করজনা সেতু এলাকা পেরিয়ে ঘিওরের ঠাকুরকান্দি গ্রামের কাছে গিয়ে এই নদীপথের আয়োজন শেষ হয়। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে অন্তত ৩০০ জন মৎস্যশিকারি অংশ নেন।

পলো বাইচের ঐতিহ্য নিয়ে কথা বলেন বানিয়াজুরী ইউনিয়নের নূরুল করিম বাবু। তিনি বলেন, ‘পলো বাইচ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকারের উৎসব। এ আয়োজনকে ঘিরে বিভিন্ন গ্রামের মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়। দল বেঁধে মাছ ধরার মধ্য দিয়ে মানুষের মাঝে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।’

মাছশিকারি ইসলাম খান বলেন, ‘পলো দিয়ে মাছ ধরার আনন্দ অন্য রকম। এখানে মাছ পাওয়ার পাশাপাশি বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়, সবাই মিলে আনন্দ করা যায়। এই ঐতিহ্য যেন হারিয়ে না যায়।’ আরেক মাছশিকারি মাহফুজ ভূঁইয়া বলেন, ‘মাছ কম পেলেও পলো নিয়ে জলাশয়ে নামার আনন্দ কমে না। কে বড় মাছ পেল, তা নিয়ে সবার মধ্যে আনন্দ চলে। প্রতিবছর এমন আয়োজনের অপেক্ষায় থাকি।’

"পলো বাইচ আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির অংশ। এ আয়োজন টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি জলাশয় ও দেশি মাছ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।"

ঘিওরের প্রাকৃতিক কৃষিকেন্দ্রের পরিচালক দেলোয়ার জাহান বলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা (রাথুরা চক, বানিয়াজুরী ইউনিয়ন, ইছামতী শাখা নদী)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল করিম বাবু, ইসলাম খান, মাহফুজ ভূঁইয়া, দেলোয়ার জাহান, বারেক মিয়া, বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিলটু, বেসরকারি সংস্থা বারসিকের বিমল রায়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ জন মৎস্যশিকারি (ইছামতী নদীতে), শতাধিক মৎস্যশিকারি (রাথুরা চক এলাকায়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖