📌 সিলেটের শাহজালাল মাজারের ঐতিহাসিক দানবাক্স ও ডেগ পঞ্চমবারের মতো আজ শনিবার খোলা হয়েছে। সকাল ৯টায় শুরু হয়েছে টাকা গণনার কাজ, যেখানে জেলা প্রশাসন ও মাজার পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। গত ৩৫ দিন পর এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে
সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ঐতিহাসিক ডেগসহ দানবাক্সগুলো আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) পঞ্চমবারের মতো খোলা হয়েছে। সকাল ৯টায় দানবাক্স খোলার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং সাড়ে ৯টায় টাকা গণনার কাজ শুরু হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও মাজার পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সিলেটের শাহজালাল মাজারের দানবাক্স ও ডেগ পঞ্চমবারের মতো খোলা হয়েছে
- 📌 সকাল ৯টায় দানবাক্স খোলা হয় এবং সাড়ে ৯টায় টাকা গণনার আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়েছে
- 📌 এই অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও মাজার পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন
- 📌 গত ৩৫ দিন পর (১ মাস ৫ দিন) এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে
- 📌 গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো দানবাক্স ও ডেগ খোলা হয়েছিল
- 📌 প্রথমবারের মতো ২২ জুন দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনা শুরু হয়
- 📌 প্রথম গণনায় পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা
- 📌 দ্বিতীয়বারের গণনায় পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, সোনা ও রুপার অলংকার
- 📌 তৃতীয়বারের গণনায় পাওয়া যায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা
- 📌 চতুর্থবারের গণনায় প্রায় ৮৯ লাখ টাকা সংগৃহীত হয়
📰 বিস্তারিত
সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগের খোলা হওয়া একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো ২২ জুন অনুষ্ঠিত হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপনের মাত্র চার দিনের মাথায় প্রথম গণনায় পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়, যেখানে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, সোনা ও রুপার অলংকার।
১৫ আগস্ট তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়, যেখানে পাওয়া যায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রা ও সোনা-রুপা। সর্বশেষ ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো দানবাক্স ও ডেগ খোলা হয় এবং প্রায় ৮৯ লাখ টাকা সংগৃহীত হয়।
মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানান, মাজারের তহবিলে জমা হওয়া যাবতীয় অর্থ ও সামগ্রী প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নিরাপদে রাখা হচ্ছে এবং এর সুনির্দিষ্ট হিসাব সংরক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
"মাজারের তহবিলে জমা হওয়া যাবতীয় অর্থ ও সামগ্রী প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নিরাপদে রাখা হচ্ছে এবং এর সুনির্দিষ্ট হিসাব সংরক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা প্রশাসন ও মাজার পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ অক্টোবর, ৯টা, ৩৫ দিন, ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা, ৮৯ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!